রংপুরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নুরু মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্যে ঘুষের অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার অফিস কক্ষে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. নুরু মিয়া নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রাখেন।  হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফাইল নিয়ে আসা একাধিক সেবা গ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, টিআর, কাবিখা, ল্যাম্পগ্রান্ড, এলপিআরসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাগজপত্র বিল ভাউচার ঠিক থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখে। পরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার চাহিদা মতো টাকা দিলে ফাইল অনলাইনে অনুমোদন করে। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয়।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি একাধিক কর্মকর্তা জানান, সারাবছর হিসাবরক্

রংপুরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নুরু মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্যে ঘুষের অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার অফিস কক্ষে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. নুরু মিয়া নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রাখেন।  হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফাইল নিয়ে আসা একাধিক সেবা গ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, টিআর, কাবিখা, ল্যাম্পগ্রান্ড, এলপিআরসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাগজপত্র বিল ভাউচার ঠিক থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখে। পরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার চাহিদা মতো টাকা দিলে ফাইল অনলাইনে অনুমোদন করে। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয়।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি একাধিক কর্মকর্তা জানান, সারাবছর হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইল নানা অজুহাতে আটক করে রাখে। পরে অর্থের বিনিময়ে ফাইল ছেড়ে দেয়। বিশেষ করে জুন ক্লোজিংয়ে বেশি হয়রানি করে। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নুরু মিয়া বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি অনেক আগের। তিনি বলেন, যিনি ভিডিও করেছেন তাকে খুঁজে বের করে তার কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন, কেন ভিডিও করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা বলেন, ভিডিওটা দেখেছি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয় নাই।  হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ভাইরাল ভিডিওয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি কেউ জানায়নি, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow