রক্তাক্ত অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে মায়ের সামনে লুটিয়ে পড়ে রাকিব
বন্ধুদের পাতা ফাঁদে পড়ে নৃশংস হামলার শিকার কিশোর রাকিব হোসেন (১৬) চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে প্রাণ হারিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত শুক্রবার (১ মে) রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার দেওড়া এলাকায় রাকিবের বাড়ির নিকটবর্তী সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিব ওই এলাকার রাজমিস্ত্রি ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ফারহান (১৬) ও তার সহযোগীরা ডাব খাওয়ার কথা বলে রাকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। আগে থেকেই ওত পেতে থাকা বন্ধুরা নির্জন স্থানে রাকিবের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ফারহান দা দিয়ে রাকিবের ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাকিব প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে বাড়ির সামনে এসে তার মায়ের সামনে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় সে তার মাকে জানায়, ফারহান ও তার বন্ধুরা মিলে তাকে কুপিয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়। নিহতের মা বিলাপ করতে করতে বলেন, হামলার পর ছেলেটা
বন্ধুদের পাতা ফাঁদে পড়ে নৃশংস হামলার শিকার কিশোর রাকিব হোসেন (১৬) চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে প্রাণ হারিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
গত শুক্রবার (১ মে) রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার দেওড়া এলাকায় রাকিবের বাড়ির নিকটবর্তী সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিব ওই এলাকার রাজমিস্ত্রি ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ফারহান (১৬) ও তার সহযোগীরা ডাব খাওয়ার কথা বলে রাকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। আগে থেকেই ওত পেতে থাকা বন্ধুরা নির্জন স্থানে রাকিবের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ফারহান দা দিয়ে রাকিবের ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাকিব প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে বাড়ির সামনে এসে তার মায়ের সামনে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় সে তার মাকে জানায়, ফারহান ও তার বন্ধুরা মিলে তাকে কুপিয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়।
নিহতের মা বিলাপ করতে করতে বলেন, হামলার পর ছেলেটা দৌড়ে এসে আমার কোলেই পড়ে গেল। ও নিজেই বলে গেছে কারা ওকে কুপিয়েছে। আমি ওর বাবার শার্ট দিয়ে রক্ত বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, ডাব খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রাকিবকে হত্যার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় জড়িতদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
What's Your Reaction?