রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি: অভিযোগের পর আগৈলঝাড়ায় ভাঙা হলো আয়রন ব্রিজ

ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ও নিন্মমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের পর বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর নির্মিত বহুল আলোচিত আয়রন ব্রিজের ত্রুটিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে বারপাইকা গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন ব্রিজটির ঢালাই কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রিজের ঢালাই অংশে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পরলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নির্ধারিত মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারে অনিয়ম এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও ওঠে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ত্রুটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে

রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি: অভিযোগের পর আগৈলঝাড়ায় ভাঙা হলো আয়রন ব্রিজ

ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ও নিন্মমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের পর বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর নির্মিত বহুল আলোচিত আয়রন ব্রিজের ত্রুটিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে বারপাইকা গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন ব্রিজটির ঢালাই কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রিজের ঢালাই অংশে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পরলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নির্ধারিত মানদন্ড অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারে অনিয়ম এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও ওঠে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এরপর উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ত্রুটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে ব্রিজটির ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই অংশ অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সেই অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।

বুধবার সকালে সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, নিন্মমানের নির্মাণ কাজের কারণে ব্রিজটি ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারতো। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে এলাকাবাসী রক্ষা পেয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তে নির্মাণকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসাথে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow