রণক্ষেত্র শৈলকুপা, আহত অন্তত ১৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে উপজেলার জালিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জালিয়াপাড়া মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদশা ও আশরাফুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ ছাড়া লালন নামে একজের দোকান জোর করে ভাড়াকে কেন্দ্রের সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে। সে সময় বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের চরগোলক নগর গ্রামে ঈদ পূর্ণদনার কার্ড বিতরণ কেন্দ্র করে বিএনপির দুই নেতার কথা কাটাকাটি কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানায়, সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মন্ডলের নিকট কার্ড চায় যুবদলের শামীম, এ নিয়ে বাগ বিতন্ডা হয়। যুবদল নেতা শামীম জানান, ওয়ার্ড সভাপতি হিস

রণক্ষেত্র শৈলকুপা, আহত অন্তত ১৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে উপজেলার জালিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জালিয়াপাড়া মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদশা ও আশরাফুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ ছাড়া লালন নামে একজের দোকান জোর করে ভাড়াকে কেন্দ্রের সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে।

সে সময় বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের চরগোলক নগর গ্রামে ঈদ পূর্ণদনার কার্ড বিতরণ কেন্দ্র করে বিএনপির দুই নেতার কথা কাটাকাটি কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানায়, সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মন্ডলের নিকট কার্ড চায় যুবদলের শামীম, এ নিয়ে বাগ বিতন্ডা হয়। যুবদল নেতা শামীম জানান, ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে তার কাছে অনেকগুলো কার্ড ছিল, আমি আবার কিছু সামর্থকের জন্য চাইলে সে আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। অপরদিকে সায়েম মন্ডল জানান, আমি কার্ড সকলকে ভাগ করে দিয়েছি, যুবদল করে আমার সঙ্গে দল করে না তাই আমি তাকে দিইনি। এদিকে নেতা ও মাতব্বরদের হাতে কার্যের কারণে অনেক গরিব মানুষ কার্ড পাচ্ছে না শুধু তাদের মন মত লোকেরা কার্ড পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে! শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বাক-বিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow