রমজানে এতিম শিক্ষার্থীদের এক মাসের খাবারের দায়িত্ব নিলেন জাইমা

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজধানীর ১৪টি এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির দায়িত্ব নিয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও ভাসানটেক এলাকার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা পরিদর্শন করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেন এবং রমজানজুড়ে খাবার সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য রমজান মাসের প্রতিদিনের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির জন্য পূর্ণাঙ্গ খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পুরো মাসজুড়ে তাদের নিয়মিত খাবার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ সময় জাইমা রহমান বলেন, অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, রমজান মাসে তারা যেন নির্বিঘ্নে ইবাদত ও পড়াশোনা করতে পারে—এই লক্ষ্য থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা হওয়ায় এতিম শিক্ষার্থীরা উপক

রমজানে এতিম শিক্ষার্থীদের এক মাসের খাবারের দায়িত্ব নিলেন জাইমা

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজধানীর ১৪টি এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির দায়িত্ব নিয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও ভাসানটেক এলাকার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা পরিদর্শন করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেন এবং রমজানজুড়ে খাবার সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য রমজান মাসের প্রতিদিনের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির জন্য পূর্ণাঙ্গ খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পুরো মাসজুড়ে তাদের নিয়মিত খাবার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ সময় জাইমা রহমান বলেন, অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, রমজান মাসে তারা যেন নির্বিঘ্নে ইবাদত ও পড়াশোনা করতে পারে—এই লক্ষ্য থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা হওয়ায় এতিম শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow