রাজধানীতে ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’ উদ্বোধন

বাংলাদেশিদের জন্য ক্যানসার ও ইনফার্টিলিটিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য করতে ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’র উদ্বোধন ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। ৮ এপ্রিল (বুধবার) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ঢাকা ট্রাভেল মার্ট (ডিটিএম) ২০২৬-এ মালয়েশিয়ান হাই কমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’র উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উন্নত হাসপাতাল, আন্তর্জাতিক স্বীকৃত চিকিৎসা সুবিধা এবং দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে দেশটি নিজেকে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি রোগীদের জন্যও উন্মুক্ত হচ্ছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা গ্রহণের নতুন সুযোগ। ৯ থেকে ১১ এপ্রিল রাজধানীতে আয়োজিত ঢাকা ট্রাভেল মার্ট (ডিটিএম) ২০২৬-এর এই আন্তর্জাতিক আয়োজনকে কেন্দ্র করেই ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’ প্রচারণা জোরদার করা হচ্ছে। এবারের মালয়েশিয়ান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক প্রমোশন বিভাগের (এশিয়া ও আফ্রিকা) উপপরিচালক সোলেহউদ্দিন আহমদ। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল, এডুকেশ

রাজধানীতে ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’ উদ্বোধন

বাংলাদেশিদের জন্য ক্যানসার ও ইনফার্টিলিটিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য করতে ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’র উদ্বোধন ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া।

৮ এপ্রিল (বুধবার) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ঢাকা ট্রাভেল মার্ট (ডিটিএম) ২০২৬-এ মালয়েশিয়ান হাই কমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’র উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উন্নত হাসপাতাল, আন্তর্জাতিক স্বীকৃত চিকিৎসা সুবিধা এবং দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে দেশটি নিজেকে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি রোগীদের জন্যও উন্মুক্ত হচ্ছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা গ্রহণের নতুন সুযোগ।

৯ থেকে ১১ এপ্রিল রাজধানীতে আয়োজিত ঢাকা ট্রাভেল মার্ট (ডিটিএম) ২০২৬-এর এই আন্তর্জাতিক আয়োজনকে কেন্দ্র করেই ‘মালয়েশিয়া ইয়ার অব মেডিকেল ট্যুরিজম’ প্রচারণা জোরদার করা হচ্ছে।

এবারের মালয়েশিয়ান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক প্রমোশন বিভাগের (এশিয়া ও আফ্রিকা) উপপরিচালক সোলেহউদ্দিন আহমদ। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল, এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস, বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর ও এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা।

মালয়েশিয়ার পর্যটন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল রিজাল আবদুর রহিম বলেন, বাংলাদেশের বাজার মালয়েশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলে উপস্থিতি আরও জোরদার করতে এবং অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন, যা ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬’ ক্যাম্পেইনকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মালয়েশিয়া এখন চিকিৎসা পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা ও ইকো-ট্যুরিজমেও গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আগত ভ্রমণকারীদের আকৃষ্ট করতে এই খাতগুলোতে বিনিয়োগ ও প্রচারণা বাড়ানো হয়েছে।

ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার মতে, ঢাকা ট্রাভেল মার্টে অংশগ্রহণ শুধু পর্যটন পণ্য প্রদর্শনের সুযোগই নয়, বরং বাংলাদেশি অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরির ক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করছে।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ছিল ৪ কোটি ২১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯২ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৯২, যা আগের বছরের তুলনায় ৮২ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

ভ্রমণ সংযোগও দিন দিন সহজ হচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে প্রতি সপ্তাহে ৪১টি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১১ হাজার ৩৪০। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, বাতিক এয়ার, এয়ারএশিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

এএমপি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow