রাজপথে না থাকলেও গানে গানে পাশে ছিলাম: দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি থেকে শোবিজ অঙ্গনের বেশ কয়েকজন তারকা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। এ তালিকায় ছিলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী দিলরুবা খানও। সোমবার ২০ এপ্রিল দলটির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে ৩৬ জনের ওই চূড়ান্ত তালিকায় বিনোদন অঙ্গনের কোনো তারকার নাম নেই। মনোনয়ন ফরম কিনলেও শেষ পর্যন্ত তা জমা দেননি দিলরুবা খান। বুধবার ২২ এপ্রিল বিকালে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এর পেছনের কারণ জানিয়েছেন তিনি। শুরুতে মনোনয়নপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে দিলরুবা খান লেখেন, ‘আপনাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন যারা বিএনপি দলের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন। এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি দীর্ঘদিনের ত্যাগ শ্রম ও আদর্শের স্বীকৃতি।’ সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তা জমা না দেওয়ার কারণ স্মরণ করে এই শিল্পী লেখেন, ‘আমিও গত ১১ এপ্রিল দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিলাম। কিন্তু গভীরভাবে ভেবে দেখেছি যারা বছরের পর বছর রাজপথে থেকেছেন, আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরই এই সম্মান প্রাপ্য। সেই বিশ্বাস থেকে
সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি থেকে শোবিজ অঙ্গনের বেশ কয়েকজন তারকা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। এ তালিকায় ছিলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী দিলরুবা খানও। সোমবার ২০ এপ্রিল দলটির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে ৩৬ জনের ওই চূড়ান্ত তালিকায় বিনোদন অঙ্গনের কোনো তারকার নাম নেই।
মনোনয়ন ফরম কিনলেও শেষ পর্যন্ত তা জমা দেননি দিলরুবা খান। বুধবার ২২ এপ্রিল বিকালে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এর পেছনের কারণ জানিয়েছেন তিনি।
শুরুতে মনোনয়নপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে দিলরুবা খান লেখেন, ‘আপনাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন যারা বিএনপি দলের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন। এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি দীর্ঘদিনের ত্যাগ শ্রম ও আদর্শের স্বীকৃতি।’
সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তা জমা না দেওয়ার কারণ স্মরণ করে এই শিল্পী লেখেন, ‘আমিও গত ১১ এপ্রিল দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিলাম। কিন্তু গভীরভাবে ভেবে দেখেছি যারা বছরের পর বছর রাজপথে থেকেছেন, আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরই এই সম্মান প্রাপ্য। সেই বিশ্বাস থেকেই আমি মনোনয়ন জমা দিইনি। আমার এই সিদ্ধান্ত দলের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই নেওয়া।’
রাজপথে মিছিল না করলেও গান আর সুরের ভেতর দিয়ে বিএনপিকে সমর্থন করেছেন দিলরুবা খান। তার মতে, ‘আমি একজন সাধারণ কণ্ঠশিল্পী। হয়তো রাজপথে মিছিল করিনি, কারাবাস বরণ করিনি। কিন্তু আমার কণ্ঠ আমার গান এই ছিল দলের জন্য আমার সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান। শব্দ আর সুরের ভেতর দিয়ে আমি সবসময় দলের আদর্শকে ধারণ করার চেষ্টা করেছি।’
২০০১ সালের নির্বাচনে জয়পুরহাট ২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। সে সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিলেন। সেই স্মৃতিচারণ করে এই সংগীতশিল্পী লেখেন, ‘দেশনেত্রী সেদিন আমাকে যে কথাগুলো বলেছিলেন তা আজও আমার মনের মধ্যে আছে। সেই কথাগুলো আমি সযত্নে ধারণ করে রেখেছি। কোনো একদিন যদি দলের বর্তমান শীর্ষ নেতা জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয় তখনই কেবল সেই কথাগুলো তার কাছে ব্যক্ত করতে চাই।’
সবশেষে দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে দিলরুবা খান বলেন, ‘দলকে ভালোবাসি, এ ভালোবাসা কোনো পদ-পদবির ওপর নির্ভরশীল নয়। সারা জীবন আদর্শের পাশে ছিলাম, থাকব ইনশাআল্লাহ। বিএনপি জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’
What's Your Reaction?