রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ফার্মেসির বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিতরণের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট ডা. রাজীব দে সরকারকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে বুধবার (৩ জুন) রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ‘গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের মেয়াদ শেষ দুই মাস আগে, তবুও বিতরণের অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। সংবাদটি প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ডা. গৌতম কুমার সরকার (জুনিয়র কনসালটেন্ট, চর্মরোগ), ডা. তাপদ চন্দ্র মন্ডল (জুনিয়র কনসালটেন্ট, ইএনটি), ডা. কামরুজ্জামান (জুনিয়র কনসালটেন্ট, সার্জারি) এবং ডা. মো. বেলায়েত হোসেন (আরএমও)। আরও পড়ুন- গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের মেয়াদ শেষ দুই মাস আগে, তবুও বিতরণের অভিযোগ জানা যায়, জেলার পাঁচ উপজেলার ১২-১৪ লাখ মানুষ চিকিৎসাসেবা নেন সদর হাসপাতাল থেকে। এখানে চিকিৎসক ও ওষুধ সংকট দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি হাসপাতালটির শয্যা ১০০ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ করা হয়। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ফার্মেসির বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিতরণের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট ডা. রাজীব দে সরকারকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এর আগে বুধবার (৩ জুন) রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ‘গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের মেয়াদ শেষ দুই মাস আগে, তবুও বিতরণের অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি

সংবাদটি প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ডা. গৌতম কুমার সরকার (জুনিয়র কনসালটেন্ট, চর্মরোগ), ডা. তাপদ চন্দ্র মন্ডল (জুনিয়র কনসালটেন্ট, ইএনটি), ডা. কামরুজ্জামান (জুনিয়র কনসালটেন্ট, সার্জারি) এবং ডা. মো. বেলায়েত হোসেন (আরএমও)।

আরও পড়ুন- গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের মেয়াদ শেষ দুই মাস আগে, তবুও বিতরণের অভিযোগ

জানা যায়, জেলার পাঁচ উপজেলার ১২-১৪ লাখ মানুষ চিকিৎসাসেবা নেন সদর হাসপাতাল থেকে। এখানে চিকিৎসক ও ওষুধ সংকট দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি হাসপাতালটির শয্যা ১০০ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ করা হয়। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক মানুষ বিনামূল্যে সেবা নিতে আসে হাসপাতালে। টিকিট কেটে ডাক্তার দেখিয়ে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে ওষুধ নেন রোগীরা। তবে ফার্মেসিতে চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যায় না অনেক ওষুধ। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় কম ওষুধ দেওয়া হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে কম দেওয়া হয় বেশি চাহিদাকৃত ইসোরাল ৪০ ওষুধ। স্থানীয়রা এটিকে ‘গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ’ বলেই চেনেন। প্রায় দুই মাস আগে ওষুধটির মেয়াদ শেষ হলেও দেওয়া হয় রোগীদের হাতে।

তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. রাজীব দে সরকার জানান, সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসায় তত্ত্বাবধায়ক স্যারকে জানাই। পরবর্তীতে আমাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

রুবেলুর রহমান/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow