রাণীরবন্দরে ড্রাম ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের রাণীরবন্দরে ড্রাম ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ড্রাম ট্রাক আগুন দিয়েছে। রোবববার (২৪ মে) দুপুর ১২টার দিকের এ ঘটনায় বিকাল ৩টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। আহতরা হলেন-উপজেলার ইছামতি ডিগ্রি কলেজ পাড়ার রানীরবন্দর এতিমখানা মোড় এলাকার একই পরিবারের মোতালেব হোসেন (৬০) , তার স্ত্রী গুলিয়ারা বেগম (৫০) ও ছেলে বাঁধন (২২) এবং ইজিবাইক চালক গুলিয়ারা গ্রামের রায়হান (২৫)। তাদেরকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানায়, মোতালেব তার স্ত্রী ও ছেলেসহ ইজিবাইকে করে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে রানীরবন্দর বাজারে রংপুরগামী একটি ড্রাম ট্রাক ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকের চালকসহ যাত্রীরা আহত হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ড্রাম ট্রাক আটক করে আগুন দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর জন্য গেলে স্থানীয়রা রাস্তায় অবরোধ তৈরি করে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ফেরত পাঠায়। এতে ড্রাম ট্রাকটি পুড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতা

রাণীরবন্দরে ড্রাম ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের রাণীরবন্দরে ড্রাম ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ড্রাম ট্রাক আগুন দিয়েছে।

রোবববার (২৪ মে) দুপুর ১২টার দিকের এ ঘটনায় বিকাল ৩টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

আহতরা হলেন-উপজেলার ইছামতি ডিগ্রি কলেজ পাড়ার রানীরবন্দর এতিমখানা মোড় এলাকার একই পরিবারের মোতালেব হোসেন (৬০) , তার স্ত্রী গুলিয়ারা বেগম (৫০) ও ছেলে বাঁধন (২২) এবং ইজিবাইক চালক গুলিয়ারা গ্রামের রায়হান (২৫)। তাদেরকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, মোতালেব তার স্ত্রী ও ছেলেসহ ইজিবাইকে করে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে রানীরবন্দর বাজারে রংপুরগামী একটি ড্রাম ট্রাক ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকের চালকসহ যাত্রীরা আহত হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ড্রাম ট্রাক আটক করে আগুন দেয়।

রাণীরবন্দরে ড্রাম ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর জন্য গেলে স্থানীয়রা রাস্তায় অবরোধ তৈরি করে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ফেরত পাঠায়। এতে ড্রাম ট্রাকটি পুড়ে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ ড্রাম চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ এবং আহতদের চিকিৎসার আশ্বাস দিলে দুপুর ৩টায় অবরোধ তুলে নেয়।

চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী জানান, ৪ ঘণ্টা পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow