রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করুন এই ফেসপ্যাক

দিনভর ধুলোবালি, রোদ এবং দূষণের কারণে আমাদের ত্বক ক্লান্ত ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। অনেকেই ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বাজারের বিভিন্ন কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কিন্তু এসব পণ্যের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। অথচ আমাদের রান্নাঘরেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠতে পারে পরিষ্কার, কোমল ও স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য যত্নই ত্বকের বড় পরিবর্তন আনতে পারে।আসুন জেনে নেওয়া যাক রাতে কোন ধরণের ফেস মাস্ক ব্যবহার করবেন- চালের গুঁড়া ও অন্যান্য উপাদান চালের গুঁড়া প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে মসৃণ করে তোলে। দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে ব্রণ প্রতিরোধে সহায়ক, আর গোলাপ জল ত্বকে এনে দেয় সতেজ অনুভূতি। এই ফেস মাস্ক তৈরি করতে একটি পাত্রে এক চামচ চালের গুঁড়া, এক চা চামচ গোলাপ জল, আধা চামচ মধু এবং প্রয়োজনমতো দুধ মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্

রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করুন এই ফেসপ্যাক

দিনভর ধুলোবালি, রোদ এবং দূষণের কারণে আমাদের ত্বক ক্লান্ত ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। অনেকেই ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বাজারের বিভিন্ন কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কিন্তু এসব পণ্যের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

অথচ আমাদের রান্নাঘরেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠতে পারে পরিষ্কার, কোমল ও স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য যত্নই ত্বকের বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
আসুন জেনে নেওয়া যাক রাতে কোন ধরণের ফেস মাস্ক ব্যবহার করবেন-

চালের গুঁড়া ও অন্যান্য উপাদান
চালের গুঁড়া প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে মসৃণ করে তোলে। দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে ব্রণ প্রতিরোধে সহায়ক, আর গোলাপ জল ত্বকে এনে দেয় সতেজ অনুভূতি।

এই ফেস মাস্ক তৈরি করতে একটি পাত্রে এক চামচ চালের গুঁড়া, এক চা চামচ গোলাপ জল, আধা চামচ মধু এবং প্রয়োজনমতো দুধ মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এরপর পেস্টটি মুখে লাগিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে ত্বক হবে পরিষ্কার, নরম এবং উজ্জ্বল।

বেসন, হলুদ ও দুধের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা
বেসন বহুদিন ধরেই ত্বক পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর করে। হলুদের অ্যান্টিসেপটিক গুণ ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং দুধ ত্বকে আনে কোমলতা।
এক চামচ বেসনের সঙ্গে সামান্য দুধ ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখ ও গলায় লাগিয়ে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে আলতোভাবে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মৃত কোষ দূর হবে এবং মুখে দেখা দেবে স্বাভাবিক আভা।

প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এগুলো ত্বকের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর। তবে যেকোনো উপাদান ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া জরুরি। ধৈর্য, নিয়মিত যত্ন এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলেই মেকআপ ছাড়াই ত্বক হতে পারে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

সূত্র, নিউজ এইটটিন, হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
রমজানে ক্লান্ত নয়, প্রাণবন্ত ত্বক চাইলে যা করবেন 
মেকআপের আগে প্রাইমার ব্যবহার জরুরি কেন? 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow