রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বরগুনায় মৌন মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বরগুনায় মৌন মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। গতকাল বিকেলে শহরের মিজান টাওয়ারের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদী মৌন মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টায় বরগুনা সার্কিট হাউস প্রান্তরের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে নিহত শিশু রামিসার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ জুবায়ের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তানিয়া আক্তার ইভা, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ইসরাত অর্পি, বরগুনা জেলা এনসিপির মীর নিলয় ও রেজাউল করিম। আবদুল্লাহ জুবায়ের বলেন, “শিশু রামিসার ওপর চালানো নির্যাতন কোনোভাবেই মানবিক সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর দেখতে চাই।” তা

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বরগুনায় মৌন মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বরগুনায় মৌন মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

গতকাল বিকেলে শহরের মিজান টাওয়ারের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদী মৌন মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টায় বরগুনা সার্কিট হাউস প্রান্তরের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে নিহত শিশু রামিসার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ জুবায়ের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তানিয়া আক্তার ইভা, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ইসরাত অর্পি, বরগুনা জেলা এনসিপির মীর নিলয় ও রেজাউল করিম।

আবদুল্লাহ জুবায়ের বলেন, “শিশু রামিসার ওপর চালানো নির্যাতন কোনোভাবেই মানবিক সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর দেখতে চাই।”

তানিয়া আক্তার ইভা বলেন, “দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন নির্মম ঘটনার শিকার হতে না হয়।”

ইসরাত অর্পি বলেন, “শুধু প্রতিবাদ নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

বরগুনা জেলা এনসিপির মীর নিলয় বলেন, “আমরা ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছি। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

রেজাউল করিম বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করতে হবে।”

এসময় জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুরো কর্মসূচিজুড়ে অংশগ্রহণকারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন এবং নীরব অবস্থানের মাধ্যমে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow