রামুতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

কক্সবাজারের রামুতে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় অটো মিশুক চালক শামসুল আলম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) থেকে শনিবার (৯ মে) রামু ও উখিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, চারদিকে রাবার বাগান ও গহিন অরণ্যে ঘেরা পাহাড়ি এলাকা থেকে শামসুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমদিকে এটি ছিল সম্পূর্ণ ক্লুলেস একটি হত্যা মামলা। পরে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে রামু থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- উখিয়ার হলুদিয়াপালং ইউনিয়নের পাগলিরবিল এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দু শুক্কুর (৩৮), রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ছাদিরকাটা এলাকার সৈয়দ আকবরের ছেলে গুরা মনিয়া (২২) এবং উখিয়ার পাগলির বিল এলাকার ইদ্রিস ভান্ডারীর ছেলে হোছেন (১৯)। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা অটো মিশুক (গাড়ি) ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। সে উদ্দেশে চালক শামসুল আলমকে মালামাল আনার কথা বলে কক্সবাজার সদর থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় ভাড়া করা হয়।  একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা রামুর পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গাড়ির চাবি চাইল

রামুতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

কক্সবাজারের রামুতে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় অটো মিশুক চালক শামসুল আলম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) থেকে শনিবার (৯ মে) রামু ও উখিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, চারদিকে রাবার বাগান ও গহিন অরণ্যে ঘেরা পাহাড়ি এলাকা থেকে শামসুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমদিকে এটি ছিল সম্পূর্ণ ক্লুলেস একটি হত্যা মামলা। পরে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে রামু থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উখিয়ার হলুদিয়াপালং ইউনিয়নের পাগলিরবিল এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দু শুক্কুর (৩৮), রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ছাদিরকাটা এলাকার সৈয়দ আকবরের ছেলে গুরা মনিয়া (২২) এবং উখিয়ার পাগলির বিল এলাকার ইদ্রিস ভান্ডারীর ছেলে হোছেন (১৯)।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা অটো মিশুক (গাড়ি) ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। সে উদ্দেশে চালক শামসুল আলমকে মালামাল আনার কথা বলে কক্সবাজার সদর থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় ভাড়া করা হয়। 

একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা রামুর পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গাড়ির চাবি চাইলে চালক বাধা দেন। তখন গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মুখে মাস্ক পরিয়ে মরদেহ ফেলে রেখে অটো মিশুক নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শওকত জামিল জানান, হত্যার পর অটো মিশুকটি উখিয়ার মরিচ্যা এলাকায় রাখা হয়। পরদিন কোটবাজারে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির কাছে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। পরে বিক্রির টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় আসামিরা।

তিনি আরও জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মামলার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে তিনজনই পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তবে ছিনতাই অটো মিশুক উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow