রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বড় নিয়োগের প্রস্তুতি
সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর দীর্ঘদিনের শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংকগুলোর কাছে শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য এবং চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে নিয়োগ জোরদারের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকেও দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি ব্যাংকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে, কোথাও আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সুপারিশের অপেক্ষায় রয়েছে নিয়োগ। আরও পড়ুন চলতি হিসাবের বিপরীতে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেসিক ব্যাংকে অনুমোদিত ১ হাজার ৮৩টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত ৮৮৬ জন। নবম ও দশম গ্রেডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ২৩৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ১১৯টি পদ পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, আর কিছু পদে চূড়ান্ত সুপারিশের অপে
সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর দীর্ঘদিনের শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংকগুলোর কাছে শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য এবং চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি চেয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে নিয়োগ জোরদারের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকেও দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে কয়েকটি ব্যাংকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে, কোথাও আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সুপারিশের অপেক্ষায় রয়েছে নিয়োগ।
বেসিক ব্যাংকে অনুমোদিত ১ হাজার ৮৩টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত ৮৮৬ জন। নবম ও দশম গ্রেডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ২৩৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ১১৯টি পদ পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, আর কিছু পদে চূড়ান্ত সুপারিশের অপেক্ষা চলছে।
অগ্রণী ব্যাংকে মোট শূন্য পদ রয়েছে ৬ হাজার ২৪৮টি। ব্যাংকটির বিভিন্ন পদে লিখিত, এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে ৩২৩ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া সিনিয়র অফিসার পদে ৪০০ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের চাহিদার ভিত্তিতে আরও কয়েকশ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে সোনালী ব্যাংকে। অনুমোদিত ১৭ হাজার ৪৪৫টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৬ হাজার ২১৮টি পদ খালি।
এছাড়া জনতা ব্যাংকে প্রায় ৩ হাজার, রূপালী ব্যাংকে ১ হাজার ৪৭০ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৮১০টি পদ শূন্য রয়েছে।
ব্যাংক সূত্র বলছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে সাধারণত নবম ও দশম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব পদের অর্ধেক সরাসরি নিয়োগ এবং বাকি অর্ধেক পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ব্যাংকগুলোর চাহিদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
তবে ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, সোনালী ব্যাংক ছাড়া অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা এখনও দুর্বল। অনেক ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ২০ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন জনবল নিয়োগের পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় ও আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ইএআর/এমআরএম
What's Your Reaction?
