রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন ভাঙ্গার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের নাদিম শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুরস্কার পেয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় অবদানের জন্য ও জরুরি সেবা ক্যাটাগরিতে তিনিসহ মোট ছয়জন চিকিৎসককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। জানা গেছে, তানসিভ জুবায়ের নাদিম (৩৬) ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরে তিনি ৩৫তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। ২০১৭ সালের ২ মে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বছরের ব্যবধানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বহির্বিভাগে রোগী বেড়েছে ১২ শতাংশ,

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন ভাঙ্গার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের নাদিম শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুরস্কার পেয়েছেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় অবদানের জন্য ও জরুরি সেবা ক্যাটাগরিতে তিনিসহ মোট ছয়জন চিকিৎসককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

জানা গেছে, তানসিভ জুবায়ের নাদিম (৩৬) ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরে তিনি ৩৫তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। ২০১৭ সালের ২ মে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বছরের ব্যবধানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বহির্বিভাগে রোগী বেড়েছে ১২ শতাংশ, অন্তর্বিভাগে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৯ শতাংশ। এছাড়াও জরুরি বিভাগে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১৩৫ শতাংশ এবং স্বাভাবিক প্রসব বেড়েছে ৭৩ শতাংশ।

এ বিষয়ে তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, আমি বিশেষ কিছু করেছি- এটা বলব না; আমার সীমিত সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। যে কোনো স্বীকৃতি ও পুরস্কার কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়। আশাকরি এ স্বীকৃতি আমার পথচলা ও কাজের গতি আরো বাড়িয়ে দেবে। আমাকে স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান করায় সরকারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। এ সময় তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওই আয়োজনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাসসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এন কে বি নয়ন/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow