রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, সাংবাদিকের ভাই নিহত

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় নতুন রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।  নিহত দেলোয়ার তুলাতুলী গ্রামের আব্দুল মৃধার ছেলে এবং স্থানীয় সাংবাদিক বাতেন মৃধার ছোট ভাই। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামবাসীর উদ্যোগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের বাড়ির পাশে একটি কাঁচা রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। রাস্তার একটি অংশ সাংবাদিক বাতেন মৃধার জমির ওপর দিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় নাছির মেম্বারের পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে গত শুক্রবার রাতে প্রতিবেশী আলী আহম্মেদের বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে বাতেন মৃধার পক্ষের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভুট্টাক্ষেতের কাছে হামলার শিকার হন চন্দনপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন (৪৭)। তার চিৎকার শুনে শ্যালক হালিম (৩৬) এগ

রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, সাংবাদিকের ভাই নিহত

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় নতুন রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। 

নিহত দেলোয়ার তুলাতুলী গ্রামের আব্দুল মৃধার ছেলে এবং স্থানীয় সাংবাদিক বাতেন মৃধার ছোট ভাই। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামবাসীর উদ্যোগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের বাড়ির পাশে একটি কাঁচা রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। রাস্তার একটি অংশ সাংবাদিক বাতেন মৃধার জমির ওপর দিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় নাছির মেম্বারের পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে গত শুক্রবার রাতে প্রতিবেশী আলী আহম্মেদের বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে বাতেন মৃধার পক্ষের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভুট্টাক্ষেতের কাছে হামলার শিকার হন চন্দনপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন (৪৭)। তার চিৎকার শুনে শ্যালক হালিম (৩৬) এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। এই ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একই রাতে পুরোনো বাড়ি থেকে নতুন বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন দেলোয়ার হোসেন। 

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলেই দেলোয়ারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তবে নাছির উদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংঘর্ষে আহত বাতেন মৃধার পক্ষের আব্দুল আজিজ (৩৮) ও কামাল (৩৫) এবং অপর পক্ষের নাছির উদ্দীন ও তার শ্যালক হালিমকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মেঘনা থানার ওসি (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow