‘রিকশাওয়ালাকে সাকিব বিদেশ থেকে মারবে এটা সন্দিহান’
দেশের ক্রিকেটে আবারও আলোচনায় উঠেছে সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গ। আর এই আলোচনা নতুন করে উসকে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটার খালেদ মাসুদ পাইলট। তিনি খোলামেলা ভাষায় নিজের মতামত জানিয়েছেন। তার কথায় ছিল আবেগ, ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া। পাইলট আরো নিশ্চিত করেছেন যে সাকিবের বড় ভক্ত তিনি এবং মাঠ থেকেই সাকিবকে বিদায় নিতে দেখতে চান। পাইলট স্পষ্ট করেই বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে সাকিবের বড় ভক্ত। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে খালেদ মাসুদ পাইলট হিসেবে বলতে পারি, আমি সাকিবের বড় ভক্ত। আমি সবসময় মনে করি মানুষ মাত্রই ভুল। সে হয়তো খেলা অবস্থায় কোনো একটা (রাজনৈতিক) দলের সাথে জড়িত হয়েছিল, হয়তো সে ছয় মাসের জন্য একটা ভুল করেছিল। কিন্তু আমি মনে করি যে কোনো খেলোয়াড়েরই যখন সে জাতীয় দলে খেলবে, তার কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা উচিত না।’ এই বক্তব্যে তিনি মূলত একটি নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন। পাইলটের মতে, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মানেই পুরো দেশের আবেগের প্রতীক। সেখানে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে বিভাজন তৈরি হয়। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত মতামত আমার যে খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের সাথে যখন জড়িত থাকে,
দেশের ক্রিকেটে আবারও আলোচনায় উঠেছে সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গ। আর এই আলোচনা নতুন করে উসকে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটার খালেদ মাসুদ পাইলট। তিনি খোলামেলা ভাষায় নিজের মতামত জানিয়েছেন। তার কথায় ছিল আবেগ, ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া। পাইলট আরো নিশ্চিত করেছেন যে সাকিবের বড় ভক্ত তিনি এবং মাঠ থেকেই সাকিবকে বিদায় নিতে দেখতে চান।
পাইলট স্পষ্ট করেই বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে সাকিবের বড় ভক্ত। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে খালেদ মাসুদ পাইলট হিসেবে বলতে পারি, আমি সাকিবের বড় ভক্ত। আমি সবসময় মনে করি মানুষ মাত্রই ভুল। সে হয়তো খেলা অবস্থায় কোনো একটা (রাজনৈতিক) দলের সাথে জড়িত হয়েছিল, হয়তো সে ছয় মাসের জন্য একটা ভুল করেছিল। কিন্তু আমি মনে করি যে কোনো খেলোয়াড়েরই যখন সে জাতীয় দলে খেলবে, তার কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা উচিত না।’
এই বক্তব্যে তিনি মূলত একটি নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন। পাইলটের মতে, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মানেই পুরো দেশের আবেগের প্রতীক। সেখানে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে বিভাজন তৈরি হয়।
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত মতামত আমার যে খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের সাথে যখন জড়িত থাকে, তখন সমস্ত মানুষের আবেগ থাকে ঐ জাতীয় দল ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের প্রতি। যখনই আপনি কোনো একটা দলের সাথে জড়াবেন তখন কিন্তু এটা যে ভাগাভাগি হয়ে যায়। তো জাতীয় দলে যখন খেলবেন তখন আমার মনে হয় দলের সাথে না থাকাই ভালো।’
সাকিবের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার প্রসঙ্গেও কথা বলেন সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।তার বক্তব্য, ‘আমার কাছে মনে হয় ভুল করে ফেলেছে মানুষ মাত্রই ভুল। অনেক কম বয়স। সেটা এমন কিছু করে নাই। আর মামলার ব্যাপারে আমি যতদূর জানি ব্যক্তিগতভাবে যে একটা মার্ডার মামলায় তাকে একটা আসামি করা হয়েছে। আমাদের দেশে প্রচুর ভুয়া মামলা হয়। কিন্তু আমি বলব যে আমার ব্যক্তিগত মতামত যে একজন রিকশাওয়ালা ভদ্রলোক মানুষকে সাকিবের মতো একজন খেলোয়াড় বিদেশ থেকে মারবে, আমার কাছে এটা খুব মানে সন্দিহান মনে হয় এবং আমার কাছে মনে হয় না যে ভালো জিনিস।’
পাইলট মনে করেন, অভিযোগের বিষয়টি সরকারিভাবে পরিষ্কার হওয়া দরকার। তার ভাষায়, ‘তার জন্য সরকারের দায়িত্ব হওয়া উচিত যে ব্যক্তিটা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তার একটা সঠিক সমাধান হওয়া উচিত যে ঐ ব্যক্তি কোন ভিত্তিতে তাকে মামলা করেছিলেন। হয়তো রাজনৈতিক মামলা আলাদা কিন্তু তার নামে যেটা হয়েছে আমি মনে করি যে ব্যক্তি ভুল মামলা করেছে।’
একজন জাতীয় তারকার বিরুদ্ধে সহজে মামলা হয়ে যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাইলট বলেন, ‘ধরেন একটা খুব নাম করা একজন ব্যক্তি আমাদের দেশের সম্মানিত ব্যক্তি, একজন তাকে নিয়ে মামলা করে দিল আর তাকে হয়রানি করে ফেলল, এটা তো আসলে অনুচিত। আমি জানি না আমি আইনগত ব্যাপারে অত পটু না। তবে আমি মনে করি যে সাকিবের মতো খেলোয়াড় এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত থাকবে। আর আমি মনে করি তাকে সম্মান দেওয়া উচিত।’
সাবেক এই অধিনায়ক চান দেশের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন সাকিব আল হাসান যেন সম্মানের সঙ্গে ক্যারিয়ার শেষ করতে পারেন।
পাইলট বলেন, ‘মানুষ অনেক ভুল করে দুনিয়ায় বাংলাদেশে পৃথিবীতে অনেক ভুল করে। কিন্তু সে একজন খেলোয়াড় হিসেবে দেখা ভালো এবং আমি সবসময় দোয়া করি যেন আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে একদম সসম্মানে বাংলাদেশের জার্সি পড়ে যেন এখান থেকে বাংলাদেশ থেকে অবসর নেওয়ায়। আমরা যেন সবাই তাকে সম্মানিত করতে পারি, নাম্বার ওয়ান প্লেয়ার বাংলাদেশের।’
What's Your Reaction?