রিয়ালকে হারিয়ে এগিয়ে গেল বায়ার্ন
সবই ছিল রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে। বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে সর্বশেষ ৯ ম্যাচে অপরাজিত থাকার কীর্তি নিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মাঠে নেমেছিল রিয়াল। কিন্তু রিয়ালের সেই গৌরব ধুলোয় মিশে গেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল হেরেছে ২-১ গোলে। বায়ার্নের হয়ে গোল করেছেন লুইস দিয়াজ ও হ্যারি কেইন। আর রিয়ালের হয়ে এক গোল শোধ করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরুতেই রিয়ালকে চাপে রাখার চেষ্টা করে বায়ার্ন। ৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় তারা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ৯ মিনিটের মাথায় দারুণ এক আক্রমণে রিয়ালের গোলরক্ষক আন্দ্রেই লুনিনকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন দায়ত উপমেকানো।
তবে ৪১ মিনিটে ভুল করেননি লুইস দিয়াজ। দারুণ এক আক্রমণে নাব্রির বাড়ানো বল ধরে অসাধারণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন এই কলম্বিয়ান উইঙ্গার। পিছিয়ে পড়ে রিয়াল চেষ্টা করে ম্যাচে ফেরার। কিন্তু বিরতির আগে কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোলের দেখা পায়নি তারা।
বিরতির পর ২০ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে বায়ার্নকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না রিয়াল। উল্টো বায়ার্নই বারবার
সবই ছিল রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে। বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে সর্বশেষ ৯ ম্যাচে অপরাজিত থাকার কীর্তি নিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মাঠে নেমেছিল রিয়াল। কিন্তু রিয়ালের সেই গৌরব ধুলোয় মিশে গেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল হেরেছে ২-১ গোলে। বায়ার্নের হয়ে গোল করেছেন লুইস দিয়াজ ও হ্যারি কেইন। আর রিয়ালের হয়ে এক গোল শোধ করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরুতেই রিয়ালকে চাপে রাখার চেষ্টা করে বায়ার্ন। ৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় তারা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ৯ মিনিটের মাথায় দারুণ এক আক্রমণে রিয়ালের গোলরক্ষক আন্দ্রেই লুনিনকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন দায়ত উপমেকানো।
তবে ৪১ মিনিটে ভুল করেননি লুইস দিয়াজ। দারুণ এক আক্রমণে নাব্রির বাড়ানো বল ধরে অসাধারণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন এই কলম্বিয়ান উইঙ্গার। পিছিয়ে পড়ে রিয়াল চেষ্টা করে ম্যাচে ফেরার। কিন্তু বিরতির আগে কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোলের দেখা পায়নি তারা।
বিরতির পর ২০ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে বায়ার্নকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না রিয়াল। উল্টো বায়ার্নই বারবার বিপজ্জনক হয়ে উঠছিল। ৬১ মিনিটে অবশ্য উপমেকানোর ভুলে দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু নয়্যারকে একা পেয়েও সুযোগটি নষ্ট করেন এ ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।
ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় থাকা রিয়ালের হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৭৫ মিনিটে ট্রেন্ট আলেক্সান্দার-আরনল্ডের পাস থেকে গোল করে রিয়াল শিবিরে খানিকটা স্বস্তি ফেরান এমবাপ্পে।
আগামী ১৫ এপ্রিল রাতে বায়ার্নের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ খেলতে যাবে রিয়াল।