রুশ সেনাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভিনদেশিরা, অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চীনের

ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রুশ সেনাদের চীনা সামরিক সদস্যরা প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এ দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং এটি অপবাদ ও মানহানিকর বক্তব্য। এর আগে লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস দাবি করেন, চীনা সামরিক সদস্যদের দ্বারা রুশ সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে পাওয়া প্রতিবেদনগুলো ইইউ যাচাই করেছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করছে। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। এদিকে কালাস আরও জানান, বৈঠকে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বা নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

রুশ সেনাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভিনদেশিরা, অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চীনের

ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রুশ সেনাদের চীনা সামরিক সদস্যরা প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। খবর আনাদোলু এজেন্সির। 

মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এ দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং এটি অপবাদ ও মানহানিকর বক্তব্য।

এর আগে লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস দাবি করেন, চীনা সামরিক সদস্যদের দ্বারা রুশ সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে পাওয়া প্রতিবেদনগুলো ইইউ যাচাই করেছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করছে।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।

এদিকে কালাস আরও জানান, বৈঠকে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বা নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার প্রতি চীনের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসলেও বেইজিং বারবার দাবি করে আসছে যে তারা সংঘাতের বিষয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow