রেলে বাজেট কমলেও চলবে একাধিক মেগা প্রকল্প, ডুয়েলগেজ লাইনে জোর
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রেলপথ খাতে ৯ হাজার ৯৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও আগের কয়েক অর্থবছরের তুলনায় এ খাতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কম, তবুও সরকার দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সংযোগ উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। বাজেট নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেলপথ খাতের সংশোধিত বাজেট ছিল ১৭ হাজার ৬৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা৷ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৫৬৩ কোটি ৫২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ আরও কমে ৯ হাজার ১৫২ কোটি ৬০ লাখ ৯২ হাজার টাকা৷ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে থাকছে যেসব কর্মসূচি নতুন অর্থবছরে সরকার দেশের প্রধান রেল করিডোরগুলোতে ডুয়েলগেজ ও ডাবল লাইন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প, যা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াবে। এছাড়া ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রেলপথ খাতে ৯ হাজার ৯৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
যদিও আগের কয়েক অর্থবছরের তুলনায় এ খাতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কম, তবুও সরকার দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সংযোগ উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে।
বাজেট নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেলপথ খাতের সংশোধিত বাজেট ছিল ১৭ হাজার ৬৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা৷ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৫৬৩ কোটি ৫২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ আরও কমে ৯ হাজার ১৫২ কোটি ৬০ লাখ ৯২ হাজার টাকা৷
২০২৬-২৭ অর্থবছরে থাকছে যেসব কর্মসূচি
নতুন অর্থবছরে সরকার দেশের প্রধান রেল করিডোরগুলোতে ডুয়েলগেজ ও ডাবল লাইন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প, যা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াবে।
এছাড়া ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে। রাজধানী ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও গতিশীল করতে এই প্রকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন রেলপথ নির্মাণ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন (সিরাজগঞ্জ) পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত নতুন ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে, যা দীর্ঘদিন ধরে রেল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা মাগুরাকে সরাসরি রেল যোগাযোগের আওতায় আনবে।
যাত্রীসেবায় নতুন কোচ
রেলওয়ের যাত্রীসেবা উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কোচ যুক্ত হলে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং সেবার মান উন্নত হবে।
পুনর্বাসন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম
রেল অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়নের জন্য কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট-ছাতকবাজার মিটারগেজ রেলপথ পুনর্বাসন এবং পূর্বাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরের কাজ চলবে। অন্যদিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনের সমান্তরালে নতুন ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ করা হবে, যা রাজধানী সংলগ্ন এই ব্যস্ত রুটে ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা বাড়াবে।
পণ্য পরিবহনে নতুন অবকাঠামো
ধীরাশ্রম আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) নির্মাণের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণ এবং পুবাইল-ধীরাশ্রম রেল লিংক নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে রেলভিত্তিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং লজিস্টিক ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে।
এছাড়া রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সুবিধাদি প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা প্রকল্প নেওয়া হবে হল বাজেট প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এনএস/এমকআর
What's Your Reaction?