রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০ এক্সটেনশনের একটি অগভীর জলাশয় থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ক্যাম্পের এস/৪ বি/৭ ব্লকের অন্তর্গত জলাশয়ে বোরকা পরিহিত অবস্থায় মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ১৪ এপিবিএনের আওতাধীন ওয়াপালং পুলিশ ক্যাম্পের একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আশপাশের রোহিঙ্গা নারীদের সহযোগিতায় মরদেহটি পানি থেকে উদ্ধার করে পাড়ে তোলা হয়। ক্যাম্প কমান্ডার (সহকারী পুলিশ সুপার) আবু হানিফা জানান, মরদেহটির ছবি তুলে স্থানীয় মাঝিদের গ্রুপে পাঠানো হলে দ্রুত তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। নিহত নারীর নাম মরজান (৩৩)। তিনি উখিয়ার ১৯ নম্বর ক্যাম্পের এ/৬ ব্লকের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের মেয়ে এবং হাসেম উল্লাহর স্ত্রী। তার এফসিএন নম্বর ২৮৪৭২৮। তিনি আরও নিশ্চিত করেন, উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ওই নারীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০ এক্সটেনশনের একটি অগভীর জলাশয় থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ক্যাম্পের এস/৪ বি/৭ ব্লকের অন্তর্গত জলাশয়ে বোরকা পরিহিত অবস্থায় মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে ১৪ এপিবিএনের আওতাধীন ওয়াপালং পুলিশ ক্যাম্পের একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আশপাশের রোহিঙ্গা নারীদের সহযোগিতায় মরদেহটি পানি থেকে উদ্ধার করে পাড়ে তোলা হয়।
ক্যাম্প কমান্ডার (সহকারী পুলিশ সুপার) আবু হানিফা জানান, মরদেহটির ছবি তুলে স্থানীয় মাঝিদের গ্রুপে পাঠানো হলে দ্রুত তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। নিহত নারীর নাম মরজান (৩৩)। তিনি উখিয়ার ১৯ নম্বর ক্যাম্পের এ/৬ ব্লকের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের মেয়ে এবং হাসেম উল্লাহর স্ত্রী। তার এফসিএন নম্বর ২৮৪৭২৮।
তিনি আরও নিশ্চিত করেন, উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ওই নারীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।
What's Your Reaction?