লেবানন থেকে ইসরায়েলের সেনা সরানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধের অবসান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, লেবাননে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন হামলা বা দেশটির ভূখণ্ডে সেনা উপস্থিতি এই চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি দাবি করেন, এই সমঝোতায় একদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে রয়েছে ইরান ও হিজবুল্লাহ। আরাগচির মতে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা চালিয়ে যায় বা দখল বজায় রাখে, তাহলে চুক্তির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাবে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে ৬০ দিনের নতুন আলোচনা, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই চুক্তির ফলে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি সরে যাবে এবং দেশটির মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গাজা
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধের অবসান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, লেবাননে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন হামলা বা দেশটির ভূখণ্ডে সেনা উপস্থিতি এই চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি দাবি করেন, এই সমঝোতায় একদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে রয়েছে ইরান ও হিজবুল্লাহ।
আরাগচির মতে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা চালিয়ে যায় বা দখল বজায় রাখে, তাহলে চুক্তির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাবে।
আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে ৬০ দিনের নতুন আলোচনা, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আশা প্রকাশ করেছেন, এই চুক্তির ফলে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি সরে যাবে এবং দেশটির মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় যেসব এলাকাকে ইসরায়েল নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, সেখানে ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভ জানিয়েছে, নতুন সমঝোতার আওতায় লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। সূত্র : শাফাক নিউজ
What's Your Reaction?