লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হারিকেন নিয়ে মানববন্ধন
সুনামগঞ্জে বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে হারিকেন নিয়ে মানববন্ধন করেছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে শহরের আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জনজীবন পুরোপুরি অতিষ্ঠ। বিশেষ করে এ তীব্র গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই নারকীয় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতেই তারা আজ বাধ্য হয়ে হারিকেন হাতে রাস্তায় নেমেছেন। এদিকে মানববন্ধন চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক টেলিভিশন সাংবাদিককে ছবি তুলতে বাধা ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মানববন্ধন আয়োজক কমিটির দায়িত্বে থাকা আম্মার আহমেদ বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করতে এসেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমাদের ওপ
সুনামগঞ্জে বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে হারিকেন নিয়ে মানববন্ধন করেছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে শহরের আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জনজীবন পুরোপুরি অতিষ্ঠ। বিশেষ করে এ তীব্র গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই নারকীয় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতেই তারা আজ বাধ্য হয়ে হারিকেন হাতে রাস্তায় নেমেছেন।
এদিকে মানববন্ধন চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক টেলিভিশন সাংবাদিককে ছবি তুলতে বাধা ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মানববন্ধন আয়োজক কমিটির দায়িত্বে থাকা আম্মার আহমেদ বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করতে এসেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমাদের ওপর চড়াও হন। সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেয়। পরে আমরা নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে গেলে তিনিও আমাদের সঙ্গে ধমক দিয়ে কথা বলেন এবং পুলিশকে খবর দেন। সেই সঙ্গে সাংবাদিক মেহেদী হাসানকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মেহেদী হাসান বলেন, হঠাৎ করে এসে আমাকে ধমক দিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন বলে মোবাইলের ক্যামেরা বন্ধ করতে। আমি সেটা না করলে তারা আমাকে হুমকি দেয় দেখে নেওয়ার। পাশাপাশি এখানে যারা মানববন্ধন করেছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎয়ের দাবিতে তাদেরও বাধা দেওয়া হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেল মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ অফিস একটি সংরক্ষিত এলাকা। অনুমতি ছাড়া অফিস প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ নেই। অনুমতি না নিয়েই কিছু লোকজন অফিসের সামনে চলে এসেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ নেওয়া আমার দায়িত্বে পড়ে না। এর থেকে বেশিকিছু বলতে পারবো না।
লিপসন আহমেদ/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?