শরীয়তপুরে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির উদ্বেগ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত ৪৮তম বিসিএসের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম। শনিবার (১৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়িত্ব পালনরত একজন চিকিৎসকের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে রফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক পেশা। সীমিত জনবল, অবকাঠামোগত সংকট এবং অতিরিক্ত কর্মচাপের মধ্যেও চিকিৎসকেরা মানুষের জীবন রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি চিকিৎসকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত হতে হয়, তবে তা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা নয়, বরং সমগ্র স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আঘাত। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অতীতেও বহুবার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এক ধরনের দণ্ড মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। হাসপাতাল কখনোই সহিংসতার স্থান হতে পারে না বলেও

শরীয়তপুরে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির উদ্বেগ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত ৪৮তম বিসিএসের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম।

শনিবার (১৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়িত্ব পালনরত একজন চিকিৎসকের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে রফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক পেশা। সীমিত জনবল, অবকাঠামোগত সংকট এবং অতিরিক্ত কর্মচাপের মধ্যেও চিকিৎসকেরা মানুষের জীবন রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি চিকিৎসকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত হতে হয়, তবে তা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা নয়, বরং সমগ্র স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আঘাত।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অতীতেও বহুবার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এক ধরনের দণ্ড মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। হাসপাতাল কখনোই সহিংসতার স্থান হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে আহত চিকিৎসকের সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

মানুষের জীবন বাঁচাতে নিয়োজিত চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিকিৎসকদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে স্বাস্থ্যখাতে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

কেএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow