শাটলে বহিরাগতদের রাজনৈতিক স্লোগান, ভিডিও করায় নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাটল ট্রেনের ভেতরে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে চবির এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরগামী শাটল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জানা যায়, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থী পলিটেকনিক স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে ‘শহীদ জিয়ার গড়া দল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল’ এবং ‘গুপ্তের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—জাতীয় স্লোগান দিতে থাকেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন শুভ্র বলেন, শাটল ট্রেন মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য নির্ধারিত। অনেকেই এ সময় পড়াশোনা করেন। বহিরাগতদের এভাবে উঠে দলীয় স্লোগান দেওয়া কোনোভাবেই গ্র

শাটলে বহিরাগতদের রাজনৈতিক স্লোগান, ভিডিও করায় নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাটল ট্রেনের ভেতরে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে চবির এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরগামী শাটল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থী পলিটেকনিক স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে ‘শহীদ জিয়ার গড়া দল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল’ এবং ‘গুপ্তের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—জাতীয় স্লোগান দিতে থাকেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন শুভ্র বলেন, শাটল ট্রেন মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য নির্ধারিত। অনেকেই এ সময় পড়াশোনা করেন। বহিরাগতদের এভাবে উঠে দলীয় স্লোগান দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত এবং অত্যন্ত নিন্দনীয়।

তিনি আরও বলেন, শাটলে বহিরাগতদের ওঠা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা এবং পলিটেকনিক স্টপেজ বন্ধ করা উচিত।

চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই আমরা প্রক্টর অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। একই সঙ্গে এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগেরও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিচারের দাবি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পলিটেকনিক স্টপেজে শাটল ট্রেনের হল্ট বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি বগিতে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগেরও দাবি তোলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, ঘটনাটি জানার পর শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে এসে অভিযোগ করেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পলিটেকনিক স্টপেজে শাটলের হল্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি পাঠানো হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow