শাবিপ্রবিতে পাটওয়ারী-সারজিসের সভা ঘিরে তিন শর্ত দিলো প্রক্টর অফিস
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশক্তির আলোচনা সভা ঘিরে তিন শর্ত দিয়েছে প্রক্টর অফিস। সভায় অতিথি হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টায় শাবিপ্রবির মিনি অডিটোরিয়াম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আরও পড়ুন এনসিপির প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত মাত্র ৭ জন! ছাত্রশক্তি নেতাদের সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণ উপলক্ষে ‘অগ্নিঝরা জুলাই: রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মিনি অডিটোরিয়াম বরাদ্দ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস বরাবর আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সভা আয়োজনের অনুমতি দিলেও তিনটি শর্ত দিয়েছে প্রক্টর অফিস। প্রক্টর অফিসের তিন শর্তের মধ্যে রয়েছে— ১. অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা আদর্শিক বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ করে কোনো অসত্য বক্তব্য দেওয়া যাবে না। কোনো অসত্
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশক্তির আলোচনা সভা ঘিরে তিন শর্ত দিয়েছে প্রক্টর অফিস। সভায় অতিথি হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টায় শাবিপ্রবির মিনি অডিটোরিয়াম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ছাত্রশক্তি নেতাদের সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণ উপলক্ষে ‘অগ্নিঝরা জুলাই: রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মিনি অডিটোরিয়াম বরাদ্দ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস বরাবর আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সভা আয়োজনের অনুমতি দিলেও তিনটি শর্ত দিয়েছে প্রক্টর অফিস।
প্রক্টর অফিসের তিন শর্তের মধ্যে রয়েছে—
১. অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা আদর্শিক বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ করে কোনো অসত্য বক্তব্য দেওয়া যাবে না। কোনো অসত্য বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা নষ্ট করলে এর সম্পূর্ণ দায় জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখাকেই নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর দায়ভার বহন করবে না;
২. কারও উস্কানিমূলক বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়ে ক্যাম্পাসের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা সংগঠনকেই বহন করতে হবে;
৩. ওই অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা তত্ত্বাবধানে তিনজন সহকারী প্রক্টর দায়িত্বে থাকবেন।।
এরআগে, অনুষ্ঠানে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর অতিথি হিসেবে আসাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেছেন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা।
শাবিপ্রবির ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদস্থগিত) জহিরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপ ‘সাস্টিয়ান ভয়েসে’ লিখেছেন, ‘৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত যত বক্তব্য, কথাবার্তা আছে; এর ৯০ শতাংশই এই টোকাইয়ের (নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী) মুখ দিয়ে বের হয়েছিল। মাঝে মাঝে এমন এমন কথাও বলেছে যা হাসিনার মুখ দিয়েও কোনোদিন বের হয় নাই। এবার আসি সোজা আলাপে, শাবিপ্রবির জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বলবো, পাটওয়ারীকে মঞ্চে উঠানোর আগে মুখের লাগাম টেনে ধরবেন। অন্যথায় ক্যাম্পাসে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক রাশিদ আবরার জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাজনৈতিক সংগঠনগুলো কথা বলার স্বাধীনতা থাকতে হবে। যদি সেটি না থাকে, তাহলে রাজনীতি দরকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রক্টর বলেছেন, সামনে কোনো রাজনৈতিক সংগঠন কর্মসূচি পালন করলে প্রথম দুটি শর্ত মেনে করতে হবে। এখন আমরা দেখব আসলেই পরবর্তীতে এগুলো মেনে অনুমতি দেওয়া হয় কি-না।’
এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?

