শাল্লায় সংঘর্ষে আহত নারীর মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত আহেরা বেগম (৪৫) নামের এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুজনে দাঁড়াল। এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে দুপক্ষের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। একই সময়ে আহেরা বেগমও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন রাতেই তিনি মারা যান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইছাকপুর গ্রামে পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের সাইদুর রহমান এবং আওয়াল নূর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। রণক্ষেত্রে রূপ নেওয়া এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত এবং আহেরা বেগমসহ আরও অন্তত ১০ জন আহ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত আহেরা বেগম (৪৫) নামের এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুজনে দাঁড়াল।
এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে দুপক্ষের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। একই সময়ে আহেরা বেগমও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন রাতেই তিনি মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইছাকপুর গ্রামে পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের সাইদুর রহমান এবং আওয়াল নূর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। রণক্ষেত্রে রূপ নেওয়া এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত এবং আহেরা বেগমসহ আরও অন্তত ১০ জন আহত হন।
শাল্লা থানার ওসি রোকিবুজ্জামান জানান, নিহত যুবক পায়েল মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শ্রীহাইল গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নারী আহেরা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
What's Your Reaction?