শাশুড়িকে হত্যার পর গোপনে দাফন, পুত্রবধূর স্বীকারোক্তিতে রহস্য ফাঁস
ঢাকার আশুলিয়ায় শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে মুক্তা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় নিজ বাড়িতে শাশুড়ি সখিনা বেগমকে হত্যা করে পুত্রবধূ মুক্তা আক্তার। অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘটনাটি অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে চালিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে ঘটনার একদিন পর অভিযুক্ত নিজেই স্বামীর কাছে হত্যার কথা স্বীকার করলে পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। নিহত সখিনা বেগম (৬০) পাড়াগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. মনছের আলীর স্ত্রী। আসামি মুক্তা আক্তার (২২) নিহতের পুত্রবধূ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাশুড়ি সখিনা বেগমের সঙ্গে পুত্রবধূ মুক্তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তা শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন। এতে সখিনা বেগম গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন রেখে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের
ঢাকার আশুলিয়ায় শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে মুক্তা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় নিজ বাড়িতে শাশুড়ি সখিনা বেগমকে হত্যা করে পুত্রবধূ মুক্তা আক্তার।
অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘটনাটি অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে চালিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে ঘটনার একদিন পর অভিযুক্ত নিজেই স্বামীর কাছে হত্যার কথা স্বীকার করলে পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
নিহত সখিনা বেগম (৬০) পাড়াগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. মনছের আলীর স্ত্রী। আসামি মুক্তা আক্তার (২২) নিহতের পুত্রবধূ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাশুড়ি সখিনা বেগমের সঙ্গে পুত্রবধূ মুক্তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তা শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন। এতে সখিনা বেগম গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন রেখে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে এনে দাফনও সম্পন্ন করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরদিন স্বামীর সঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে মুক্তা শাশুড়ির গলা চেপে ধরার বিষয়টি স্বীকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে নিহতের ছেলে পুলিশকে খবর দেন। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মুক্তাকে আটক করে।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
What's Your Reaction?