শাহবাগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের অবস্থান

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো নিয়োগ ও পদায়ন না হওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।  রোববার (২৬ এপ্রিল) পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকে তারা শাহবাগে জড়ো হন। আন্দোলনকারীরা জানান, নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। নিজেদের শিক্ষক দাবি করে তারা স্লোগান দেন ‘তুমি কে? আমি কে? শিক্ষক, শিক্ষক’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, নিয়োগপত্র হাতে চাই।’ এতে কিছুক্ষণ পরপর শাহবাগ এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। রোববার বেলা ১১টা থেকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে হাজারের বেশি সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী অবস্থান নেন। গ্রীষ্মের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে মাথায় ছাতা নিয়ে তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন। ফয়সাল হুসাইন নামে এক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, প্রায় ১১ লাখ প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তারা ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। আমাদের মেডিকেল, ডোপ টেস্ট ও অন্যান্য পরীক্ষা সব সম্পন্ন হয়েছে। শুধু আমাদের নিয়োগটা বাকি। আমরা আশা করছি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দ্রু

শাহবাগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের অবস্থান
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো নিয়োগ ও পদায়ন না হওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।  রোববার (২৬ এপ্রিল) পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকে তারা শাহবাগে জড়ো হন। আন্দোলনকারীরা জানান, নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। নিজেদের শিক্ষক দাবি করে তারা স্লোগান দেন ‘তুমি কে? আমি কে? শিক্ষক, শিক্ষক’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, নিয়োগপত্র হাতে চাই।’ এতে কিছুক্ষণ পরপর শাহবাগ এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। রোববার বেলা ১১টা থেকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে হাজারের বেশি সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী অবস্থান নেন। গ্রীষ্মের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে মাথায় ছাতা নিয়ে তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন। ফয়সাল হুসাইন নামে এক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, প্রায় ১১ লাখ প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তারা ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। আমাদের মেডিকেল, ডোপ টেস্ট ও অন্যান্য পরীক্ষা সব সম্পন্ন হয়েছে। শুধু আমাদের নিয়োগটা বাকি। আমরা আশা করছি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দ্রুত আমাদের এ সমস্যার সমাধান করবে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, নিয়োগের আশায় অনেকেই আগের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে নিয়োগ ঝুলে থাকায় তারা পরিবারসহ আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow