শিক্ষক পরিবারের চলাচলের পথে দেওয়া সেই বেড়া অপসারণ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দীর্ঘ তিন মাস ধরে একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে দিন কাটানো শিক্ষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। প্রতিপক্ষের দেওয়া বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন। পরে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নেওয়া হয়। জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে উপজেলার ১৬ নম্বর রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর সাহেবগঞ্জ এলাকার ফজল বেপারী বাড়ির বাসিন্দা তাছলিমা সুলতানার পরিবারের চলাচলের একমাত্র পথ বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ। এতে প্রায় তিন মাস ধরে তারা স্বাভাবিকভাবে বাড়িতে যাতায়াত করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে পরিবারের সদস্যদের পুকুর সাঁতরে অথবা ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথ ব্যবহার করে বাড়িতে প্রবেশ করতে হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছিল পরিবারটি। এ ঘটনায় সোমবার (২২ জুন) ‘বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ, পুকুর সাঁতরে বাড়ি ফেরে শিক্ষক পরিবার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। তাছলিমা সুলতানা সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দীর্ঘ তিন মাস ধরে একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে দিন কাটানো শিক্ষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। প্রতিপক্ষের দেওয়া বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন। পরে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নেওয়া হয়।
জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে উপজেলার ১৬ নম্বর রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর সাহেবগঞ্জ এলাকার ফজল বেপারী বাড়ির বাসিন্দা তাছলিমা সুলতানার পরিবারের চলাচলের একমাত্র পথ বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ। এতে প্রায় তিন মাস ধরে তারা স্বাভাবিকভাবে বাড়িতে যাতায়াত করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে পরিবারের সদস্যদের পুকুর সাঁতরে অথবা ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথ ব্যবহার করে বাড়িতে প্রবেশ করতে হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছিল পরিবারটি।
এ ঘটনায় সোমবার (২২ জুন) ‘বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ, পুকুর সাঁতরে বাড়ি ফেরে শিক্ষক পরিবার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ।
তাছলিমা সুলতানা সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম। একজন শিক্ষক হিসেবে প্রতিদিন বিদ্যালয় থেকে ফিরে নিজের ঘরে প্রবেশের জন্যও সংগ্রাম করতে হয়েছে। শুধু আমি নই, আমার সন্তানদেরও একইভাবে কষ্ট করতে হয়েছে।’
তাছলিমা সুলতানা বলেন, ‘আমাদের দুর্ভোগ লাঘবে প্রশাসন এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ জানাই। বিষয়টি প্রশানের নজরে আনার জন্য ধন্যবাদ জানাই জাগো নিউজকেও।’
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ইউএনওর নির্দেশনায় আপাতত ঘটনাস্থলে দেওয়া বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় হওয়া মামলা আদালতে বিচারাধীন।’
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে কাউকে দুর্ভোগে ফেলা উচিত নয়। তাই সেখানে দেওয়া বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
শরীফুল ইসলাম/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?