শিক্ষার্থী ইকরাম হত্যায় দুই বন্ধুর মৃত্যুদণ্ড
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন মোল্লা হত্যা মামলায় দুই বন্ধুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান। দণ্ডিত আসামিরা হলেন— মো. সিদ্দিক ও মো. শান্ত মিয়া। এদের মধ্যে শান্ত পলাতক রয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। একই সঙ্গে ২০১/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ইট-বালুর ব্যবসায় লগ্নি করতে বন্ধু শান্তকে দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন ইকরাম। বিনিময়ে প্রতি মাসে তাকে হাত খরচার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছয় মাস আগে টাকা লগ্নি করেও কোনো হাত খরচা পাননি ইকরাম। উল্টো নেশাগ্রস্ত হয়ে ব্যবসার পুঁজি শেষ করে ফেলছিলেন শান্ত। এমন পরিস্থিতিতে টাকা চাওয়ায় ও শান্ত নেশাগ্রস্ত এ তথ্য তার পরিবারকে জানানোয় ক্ষিপ্ত হন শান্ত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে শান্ত আরেক বন্ধু আবু সিদ্দিককে সঙ্গ
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন মোল্লা হত্যা মামলায় দুই বন্ধুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান। দণ্ডিত আসামিরা হলেন— মো. সিদ্দিক ও মো. শান্ত মিয়া। এদের মধ্যে শান্ত পলাতক রয়েছে।
রায়ে বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। একই সঙ্গে ২০১/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ইট-বালুর ব্যবসায় লগ্নি করতে বন্ধু শান্তকে দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন ইকরাম। বিনিময়ে প্রতি মাসে তাকে হাত খরচার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছয় মাস আগে টাকা লগ্নি করেও কোনো হাত খরচা পাননি ইকরাম। উল্টো নেশাগ্রস্ত হয়ে ব্যবসার পুঁজি শেষ করে ফেলছিলেন শান্ত। এমন পরিস্থিতিতে টাকা চাওয়ায় ও শান্ত নেশাগ্রস্ত এ তথ্য তার পরিবারকে জানানোয় ক্ষিপ্ত হন শান্ত।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে শান্ত আরেক বন্ধু আবু সিদ্দিককে সঙ্গে নিয়ে ইকরামকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে ২০২৩ সালের ৪ মে ইকরাম বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।
খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে ৫ মে খিলক্ষেত থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। গত ৬ মে খিলক্ষেতের পাতিরা বালুর মাঠ এলাকা থেকে ইকরামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা কবির হোসেন মোল্লা। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৬ নভেম্বর পুলিশ পরিদর্শক এনামুল হক খন্দকার দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?