শিনজো আবের হত্যাকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বন্দুকধারী তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রায় ঘোষণার সময় বিচারক এই প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ঘৃণ্য ও অত্যন্ত নৃশংস বলে উল্লেখ করেন। তিন বছরেরও বেশি আগে সংঘটিত এই গুলির ঘটনা জাপানে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। নারা শহরের একটি আদালতে সাজা ঘোষণার সময় বিচারক শিনিচি তানাকা বলেন, ৪৫ বছর বয়সী ইয়ামাগামি আবে-কে গুলি করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। বুধবার সকালে আদালতে প্রবেশের টিকিট সংগ্রহের জন্য মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়, যা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনসাধারণের তীব্র আগ্রহের প্রতিফলন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে নির্বাচনী ভাষণের সময় হাতে তৈরি একটি বন্দুক ব্যবহার করে জাপানের দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা এই নেতাকে হত্যা করেন ইয়ামাগামি। হত্যাকাণ্ড ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে সাজা ঘোষণার সময় তাকে নীরব ও আবেগহীন দেখা যায়। অক্টোবরে বিচার শুরুর সময় ইয়ামাগামি হত্যার দায় স্বীকার করেছিলেন। তার আইনজীবীরা পরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা এখনো আপিল করা হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি

শিনজো আবের হত্যাকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বন্দুকধারী তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রায় ঘোষণার সময় বিচারক এই প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ঘৃণ্য ও অত্যন্ত নৃশংস বলে উল্লেখ করেন।

তিন বছরেরও বেশি আগে সংঘটিত এই গুলির ঘটনা জাপানে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

নারা শহরের একটি আদালতে সাজা ঘোষণার সময় বিচারক শিনিচি তানাকা বলেন, ৪৫ বছর বয়সী ইয়ামাগামি আবে-কে গুলি করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

বুধবার সকালে আদালতে প্রবেশের টিকিট সংগ্রহের জন্য মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়, যা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনসাধারণের তীব্র আগ্রহের প্রতিফলন।

২০২২ সালের জুলাইয়ে নির্বাচনী ভাষণের সময় হাতে তৈরি একটি বন্দুক ব্যবহার করে জাপানের দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা এই নেতাকে হত্যা করেন ইয়ামাগামি। হত্যাকাণ্ড ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে সাজা ঘোষণার সময় তাকে নীরব ও আবেগহীন দেখা যায়।

অক্টোবরে বিচার শুরুর সময় ইয়ামাগামি হত্যার দায় স্বীকার করেছিলেন। তার আইনজীবীরা পরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা এখনো আপিল করা হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। জাপানের আইন অনুযায়ী, রায়ের বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিল করতে হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা যুক্তি দেন, আবেকে হত্যার পেছনে ইয়ামাগামির উদ্দেশ্য ছিল ইউনিফিকেশন চার্চকে জনসমক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

বিচারক তানাকা বলেন, আসামির বেড়ে ওঠার পরিবেশ তার ব্যক্তিত্ব ও মানসিকতা গঠনে প্রভাব ফেলেছে—এবং তার কর্মকাণ্ডে তা পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে—এটি অস্বীকার করা যায় না।

তবে তিনি যোগ করেন, তবুও তার প্রতিটি অপরাধমূলক কাজ ছিল সম্পূর্ণভাবে তার নিজের সিদ্ধান্তের ফল এবং সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কঠোরভাবে নিন্দার যোগ্য।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow