শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী

শিশু নিখোঁজের অভিযোগে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল গোটা এলাকা। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা তিন ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য; ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এই নাটক সাজিয়েছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।  উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায় ওই নারী দাবি করেন, খোলা ড্রেনে একটি শিশু পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত করা হয়; কোনো শিশুই নিখোঁজ নেই। তদন্তে উঠে আসে, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী। প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি ছিল। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয় প্রশাস

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী
শিশু নিখোঁজের অভিযোগে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল গোটা এলাকা। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা তিন ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য; ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এই নাটক সাজিয়েছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।  উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায় ওই নারী দাবি করেন, খোলা ড্রেনে একটি শিশু পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত করা হয়; কোনো শিশুই নিখোঁজ নেই। তদন্তে উঠে আসে, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী। প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীর মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি ছিল। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয় প্রশাসন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। একদিকে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে জনস্বার্থের অজুহাতে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানোর নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করছেন, ‘কাজ আদায়ের এটাই বোধহয় সবচেয়ে কার্যকর উপায়।’ তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া অভিযোগ জরুরি পরিষেবাকে বিভ্রান্ত করে এবং প্রকৃত বিপদের সময় বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি সময়, শ্রম ও অর্থেরও অপচয় হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow