শুক্রবারের ১১টি বিশেষ আমল
জুমাবার মুসলিম উম্মাহর কাছে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনকে ঘিরে রয়েছে বিশেষ মর্যাদা, অসংখ্য ফজিলত এবং ইবাদতের অনন্য সুযোগ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এ দিনেই হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, এ দিনেই কেয়ামত সংঘটিত হবে, আর এই দিনের নির্দিষ্ট একটি সময়ে বান্দার দোয়া কবুল করা হয় (আবু দাউদ : ১০৪৬)। তাই একজন মুমিনের জন্য জুমার দিনটি শুধু একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, ইবাদত-বন্দেগি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক মহামূল্যবান উপলক্ষ।
এই দিনের প্রতিটি মুহূর্তকে কীভাবে আমল ও ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করা যায়, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল তুলে ধরা হয়েছে। কালবেলার পাঠকদের জন্য এসব আমল জানিয়েছেন রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালাম (মিরপুর-১২)-এর সিনিয়র মুফতি ও মুশরিফ আবদুর রহমান হোসাইনী।
নিম্নে শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি আমল তুলে ধরা হলো—
১. ভোরে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা: জুমার দিনের অন্যতম প্রধান আমল হলো আলস্য ত্যাগ করে ভোরে আগে আগে ঘুম থেকে ওঠা।
২. ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, সপ্তাহের সব নামাজের মধ্যে জুমার দিনের ফজরের নামাজ জামাতে আদা
জুমাবার মুসলিম উম্মাহর কাছে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনকে ঘিরে রয়েছে বিশেষ মর্যাদা, অসংখ্য ফজিলত এবং ইবাদতের অনন্য সুযোগ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এ দিনেই হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, এ দিনেই কেয়ামত সংঘটিত হবে, আর এই দিনের নির্দিষ্ট একটি সময়ে বান্দার দোয়া কবুল করা হয় (আবু দাউদ : ১০৪৬)। তাই একজন মুমিনের জন্য জুমার দিনটি শুধু একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, ইবাদত-বন্দেগি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক মহামূল্যবান উপলক্ষ।
এই দিনের প্রতিটি মুহূর্তকে কীভাবে আমল ও ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করা যায়, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল তুলে ধরা হয়েছে। কালবেলার পাঠকদের জন্য এসব আমল জানিয়েছেন রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালাম (মিরপুর-১২)-এর সিনিয়র মুফতি ও মুশরিফ আবদুর রহমান হোসাইনী।
নিম্নে শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি আমল তুলে ধরা হলো—
১. ভোরে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা: জুমার দিনের অন্যতম প্রধান আমল হলো আলস্য ত্যাগ করে ভোরে আগে আগে ঘুম থেকে ওঠা।
২. ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, সপ্তাহের সব নামাজের মধ্যে জুমার দিনের ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা সবচেয়ে বেশি মর্যাদাপূর্ণ।
৩. জুমার নামাজ আদায়: এটি জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ফরজ আমল। অন্যান্য নফল বা সুন্নত আমলের চেয়ে জুমার নামাজ সময়মতো আদায় করা অধিক জরুরি।
৪. বেশি বেশি দরুদ পাঠ: জুমার দিন এবং জুমার রাত (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নবী কারীম (সা.)-এর প্রতি অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
৫. গোসল ও পরিচ্ছন্নতা: জুমার নামাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সুন্দরভাবে গোসল করা এবং শরীর পরিচ্ছন্ন করা মুস্তাহাব।
৬. উত্তম পোশাক পরিধান: এই দিনে নিজের কাছে থাকা পোশাকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পোশাকটি পরিধান করা সুন্নাহ।
৭. সুগন্ধি ও মেসওয়াক ব্যবহার: নামাজের আগে সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং মেসওয়াকের মাধ্যমে মুখ পরিষ্কার করা একটি অত্যন্ত বরকতময় আমল।
৮. আগে আগে মসজিদে যাওয়া: যে ব্যক্তি যত দ্রুত মসজিদে প্রবেশ করবেন, আল্লাহর কাছে তার মর্যাদা তত বেশি হয়। তাই আগে ভাগে মসজিদে গিয়ে ইবাদতে মশগুল হওয়া উচিত।
৯. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া: সম্ভব হলে কোনো বাহন (গাড়ি বা রিক্সা) ব্যবহার না করে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া সওয়াবের কাজ।
১০. ভিন্ন পথে ফিরে আসা: মসজিদে যাওয়ার সময় যে রাস্তা ব্যবহার করা হয়েছে, ফেরার সময় অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে আসা উত্তম, যা ঈদের সুন্নতের অনুরূপ।
১১. সুরা কাহাফ তেলাওয়াত: জুমার দিনে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করলে তা কেয়ামতের দিন ওই ব্যক্তির জন্য নুরের আলোর কাজ করবে এবং তাকে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করবে।
উল্লিখিত আমলগুলো ছাড়াও সূর্যাস্তের আগে বিশেষ করে আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টিতে দোয়ায় মশগুল থাকা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এই সময়ে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।