শুধু টিকা দিয়েই শিশুদের হাম প্রতিরোধ সম্ভব
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মোট ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকা প্রদান করা শুরু হয়েছে। শুধু এই দুই ডোজ টিকা দিয়েই শিশুদের হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কিছু ভুল নীতির কারণে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে আরও একটি জরুরি টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত ছিল, যা সে সময় করা হয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। পরে সরকার দ্রুত চিকিৎসা ও প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই ধারাবাহিকতায় প্রথম ধাপে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৫টি মহানগরীতে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ থেকে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ শুরু হয়েছে। এসময় সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ড. মো. নুরুল আমিন, শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মোট ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকা প্রদান করা শুরু হয়েছে। শুধু এই দুই ডোজ টিকা দিয়েই শিশুদের হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কিছু ভুল নীতির কারণে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে আরও একটি জরুরি টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত ছিল, যা সে সময় করা হয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। পরে সরকার দ্রুত চিকিৎসা ও প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এই ধারাবাহিকতায় প্রথম ধাপে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৫টি মহানগরীতে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ থেকে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ শুরু হয়েছে।
এসময় সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ড. মো. নুরুল আমিন, শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. মাসুদ রানা, উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এম এ মালেক/এমএন/জেআইএম
What's Your Reaction?