শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পরবর্তী চার্জ শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

'জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির (চার্জ শুনানি) আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।  বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালাম এ দিন ধার্য করেন। এদিন কারাগারে থাকা ৩০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।  এর মধ্যে সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৫ জন নারী ও ২৫ জন পুরুষ ছিলেন। এ সময় আসামিদের উপস্থিতিতে চার্জ শুনানি হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার দায় থেকে আসামিদের অব্যাহতি চান।  অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি করেন। তবে এদিন সব আসামির পক্ষে শুনানি শেষ না হওয়ায় আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। আসামি সাবেক এমপি তুহিনের পক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী পু

শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পরবর্তী চার্জ শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

'জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির (চার্জ শুনানি) আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালাম এ দিন ধার্য করেন। এদিন কারাগারে থাকা ৩০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। 

এর মধ্যে সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৫ জন নারী ও ২৫ জন পুরুষ ছিলেন। এ সময় আসামিদের উপস্থিতিতে চার্জ শুনানি হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার দায় থেকে আসামিদের অব্যাহতি চান। 

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি করেন। তবে এদিন সব আসামির পক্ষে শুনানি শেষ না হওয়ায় আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। আসামি সাবেক এমপি তুহিনের পক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। ১৪ আগস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow