টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড

সাতক্ষীরায় টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় স্বামী ও শাশুড়ির ওপর অভিমানে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর নাম ফারহানা খাতুন (১৯)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মানিকের স্ত্রী। তিনি একই এলাকার খোকনের মেয়ে। মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর আগে ফারহানা ও মানিকের বিয়ে হয়েছে। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ির কথা না শুনে প্রায়ই সে বাড়িতে টিকটক করত। এ নিয়ে তাদের পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা লেগে থাকত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফারহানা টিকটক করতে চাইলে তার স্বামী ও শাশুড়ি বাধা দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।  একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। বউমাকে খুঁজি না পেয়ে তার শাশুড়ি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখে ফারহানা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত

টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড

সাতক্ষীরায় টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় স্বামী ও শাশুড়ির ওপর অভিমানে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গৃহবধূর নাম ফারহানা খাতুন (১৯)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মানিকের স্ত্রী। তিনি একই এলাকার খোকনের মেয়ে।

মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর আগে ফারহানা ও মানিকের বিয়ে হয়েছে। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ির কথা না শুনে প্রায়ই সে বাড়িতে টিকটক করত। এ নিয়ে তাদের পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা লেগে থাকত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফারহানা টিকটক করতে চাইলে তার স্বামী ও শাশুড়ি বাধা দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। 

একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। বউমাকে খুঁজি না পেয়ে তার শাশুড়ি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখে ফারহানা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মাহফুজুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহ. মাসুদুর রহমান গৃহবধূ ফারহানার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow