শেরপুরে নৈশপ্রহরীকে বেঁধে রেখে ট্রান্সফরমার চুরি
বগুড়ার শেরপুরে এক নৈশপ্রহরীকে হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে একটি বিদ্যুৎচালিত শ্যালো টিউবওয়েলের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দবগুড়া মৌজায় এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্রটি ট্রান্সফরমারটি খুঁটি থেকে নামিয়ে ভেতরের মূল্যবান তামা ও অন্যান্য মালামাল লুটে নিয়েছে। চুরির সময় পাশের ‘ন্যাচারাল এগ্রো কোম্পানি’র নৈশপ্রহরীকে মুখ চেপে হাত-পা বেঁধে মাঠের মধ্যে ফেলে রাখা হয়।ভুক্তভোগী নৈশপ্রহরী আব্দুর রাজ্জাক জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বাইরে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান তিনি। টর্চলাইট হাতে নিয়ে বের হয়ে ‘কারা ওখানে’ বলে চিৎকার দিলে আচমকা পেছন থেকে তিন ব্যক্তি তাকে জাপটে ধরে। মুহূর্তের মধ্যে তার মুখ চেপে ধরে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। তিনি আরও জানান, এরপর সাত থেকে আটজনের একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র শ্যালো মেশিনের খুঁটি থেকে ভারী ট্রান্সফরমারটি নিচে নামায়। সারারাত চরম আতঙ্ক ও জীবননাশের আশঙ্কার মধ্যে বাঁধা অবস্থায় ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিলেন বলে জানান এই নৈশপ্রহরী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাঠে ধান কাটতে আসা শ্রমিকরা আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধার করেন। উদ্ধার
বগুড়ার শেরপুরে এক নৈশপ্রহরীকে হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে একটি বিদ্যুৎচালিত শ্যালো টিউবওয়েলের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দবগুড়া মৌজায় এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্রটি ট্রান্সফরমারটি খুঁটি থেকে নামিয়ে ভেতরের মূল্যবান তামা ও অন্যান্য মালামাল লুটে নিয়েছে। চুরির সময় পাশের ‘ন্যাচারাল এগ্রো কোম্পানি’র নৈশপ্রহরীকে মুখ চেপে হাত-পা বেঁধে মাঠের মধ্যে ফেলে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী নৈশপ্রহরী আব্দুর রাজ্জাক জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বাইরে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান তিনি। টর্চলাইট হাতে নিয়ে বের হয়ে ‘কারা ওখানে’ বলে চিৎকার দিলে আচমকা পেছন থেকে তিন ব্যক্তি তাকে জাপটে ধরে। মুহূর্তের মধ্যে তার মুখ চেপে ধরে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। তিনি আরও জানান, এরপর সাত থেকে আটজনের একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র শ্যালো মেশিনের খুঁটি থেকে ভারী ট্রান্সফরমারটি নিচে নামায়। সারারাত চরম আতঙ্ক ও জীবননাশের আশঙ্কার মধ্যে বাঁধা অবস্থায় ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিলেন বলে জানান এই নৈশপ্রহরী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাঠে ধান কাটতে আসা শ্রমিকরা আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধার করেন। উদ্ধারকারী কৃষক খোর্দ্দবগুড়া গ্রামের জুয়েল মণ্ডল বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখি ট্রান্সফরমারের ভাঙা অংশ মাটিতে পড়ে আছে। একটু দূরেই একটি চটের বস্তা দিয়ে কিছু একটা ঢাকা দেখে সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে বস্তা সরাতেই নৈশপ্রহরী রাজ্জাককে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখতে পাই। পরে কাঁচি দিয়ে তার বাঁধন কেটে মুক্ত করি।
শ্যালো টিউবওয়েলের মালিক মিজানুর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, রাতে টিউবওয়েল ও আশপাশের এলাকা পাহারার দায়িত্বে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। কিন্তু সংঘবদ্ধ চোরচক্র তাকে জিম্মি করে ট্রান্সফরমারটি চুরি করে নিয়ে গেছে। বর্তমান সেচ মৌসুমে এই চুরির ফলে তার বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেল।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, খোর্দ্দবগুড়া এলাকায় ট্রান্সফরমার চুরির খবরটি লোকমুখে শুনেছি। তবে এই ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী মালিকের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চোরচক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ ইতিমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?