শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আপন ভাইয়ের ওপর হামলা ও পরবর্তীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনকে কুপিয়ে এবং ৪ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ বিষয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের রাজবাড়ী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী এলাকার মৃত আজাহার আলীর ছেলে ঈমান হোসেন সন্ধ্যায় তার জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন। এসময় পূর্ব শত্রুতার জেরে তার আপন ছোট ভাই আবুল হোসেন তাকে একা পেয়ে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। ঈমান হোসেনের চিৎকারে তার জামাতা উচরং গ্রামের আল-আমিন (৫২) শ্বশুরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আবুল হোসেনের ছেলে নূর আলম ধারালো অস্ত্র দিয়ে আল-আমিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরবর্তীতে আবুল হোসেন, তার ছেলে নূর আলম, আব্দুর রাজ্জাক, আছিয়া ও মুর্শিদা বেগমসহ অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে ঈমান হোসেনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সংঘর্ষে আহতরা হলেন: আল-

শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আপন ভাইয়ের ওপর হামলা ও পরবর্তীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনকে কুপিয়ে এবং ৪ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ বিষয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের রাজবাড়ী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী এলাকার মৃত আজাহার আলীর ছেলে ঈমান হোসেন সন্ধ্যায় তার জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন।

এসময় পূর্ব শত্রুতার জেরে তার আপন ছোট ভাই আবুল হোসেন তাকে একা পেয়ে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। ঈমান হোসেনের চিৎকারে তার জামাতা উচরং গ্রামের আল-আমিন (৫২) শ্বশুরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আবুল হোসেনের ছেলে নূর আলম ধারালো অস্ত্র দিয়ে আল-আমিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।

পরবর্তীতে আবুল হোসেন, তার ছেলে নূর আলম, আব্দুর রাজ্জাক, আছিয়া ও মুর্শিদা বেগমসহ অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে ঈমান হোসেনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সংঘর্ষে আহতরা হলেন: আল-আমিন (৫২)। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আহত অন্যান্যরা হলেন, ইমান হোসেন (৫২), আইয়ুব আলী (৬২), জেল হোসেন (৫৬), জমেলা বেগম (৩৮), খলিলুর রহমান (৩০), মাহমুদা খাতুন (২৬) এবং হাবিব (২২)।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবুল হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজবাড়ী এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow