শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি

গত দুই দিনের থেমে থেমে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া পানি বাড়ছে জেলার সবগুলো নদ-নদীর। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া হু হু করে নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদী, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদী, শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদী ও সদরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও ভোগাই নদীর নাকুগাও পয়েন্টে ৬৪ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের জামালপুর পয়েন্টে ৩৬৭ সেন্টিমিটার, ভোগাই নদীর নালিতাবাড়ি পয়েন্টে ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মহারশি নদীর ঝিনাইগাতী পয়েন্টে ২১.৮৩ মিটার ও সোমেশ্বরী নদীর শ্রীবরদী পয়েন্টে ২৩.৫৫ মিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, অবিরাম ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীতে পানি ভরে গেছে। সকাল থেকে টানা বৃ

শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
গত দুই দিনের থেমে থেমে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া পানি বাড়ছে জেলার সবগুলো নদ-নদীর। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া হু হু করে নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদী, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদী, শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদী ও সদরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও ভোগাই নদীর নাকুগাও পয়েন্টে ৬৪ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের জামালপুর পয়েন্টে ৩৬৭ সেন্টিমিটার, ভোগাই নদীর নালিতাবাড়ি পয়েন্টে ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মহারশি নদীর ঝিনাইগাতী পয়েন্টে ২১.৮৩ মিটার ও সোমেশ্বরী নদীর শ্রীবরদী পয়েন্টে ২৩.৫৫ মিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, অবিরাম ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীতে পানি ভরে গেছে। সকাল থেকে টানা বৃষ্টি থাকলেও দুপুরের পর থেমে থেমে বৃষ্টি থাকায় পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদি এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকে, তাহলে ঢলের পানি ঢুকবে নিম্নাঞ্চলে। যদিও এখনো পানি ঢুকেনি। তবে, নদীর তীরবর্তীর কিছু কিছু বাড়িতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, ঢলের পানি আমাদের অভিশাপ। একদিন বৃষ্টি হলেই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় থাকি। দুইদিন বৃষ্টি হয়েছে, এখন পানি বাড়িঘরে উঠতেছে। আমরা এখনও স্থায়ী সমাধান পেলাম না। নালিতাবাড়ি উপজেলার বালুঘাটা এলাকার বাসিন্দা ফরিদ আহমেদ বলেন, সামান্য পানি হলেই নদী উপচে যায়। পানি বাড়িঘরে প্রবেশ করে। রাস্তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আজকেও পানিতে রাস্তার দুই পাশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই রাস্তা ঠিক না করলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। ঝিনাইগাতী বাজারের বাসিন্দা মনিরুজ্জামান বলেন, টানা বৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিকেলে বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে পানি ঢোকা শুরু হয়েছে। রাতে বৃষ্টি হলে বাজারে পানি উঠে যাবে। ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল আমিন বলেন, আমি মহারশি নদীর কয়েকটি পয়েন্ট নিজে পরিদর্শন করেছি। পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বৃষ্টি আর না হলে পানি কমে যাবে। তবে আমরা প্রস্তুত আছি। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, চেল্লাখালী নদীর পানি বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাকী নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদিও এসব পানি খুব দ্রুতই নেমে যাচ্ছে। তারপরও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow