শেরপুরে মোবাইল চুরির অপবাদে যুবকের আত্মহত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুরে মোবাইল চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে আমিনুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যাক্তি। সে উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের তাজমহলের ছেলে। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা আমেনা খাতুন বাদি হয়ে ইজাহার নামীয় ৯ জন সহ ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। শেরপুর থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের স্ত্রী রিক্তা (২৮) খাতুনের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে ওই গ্রামের তাজমহলের ছেলে আমিনুরকে সন্দেহ করে এলাকার লোকজন নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে মোবাইল ফোন ফিরে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। এ সময় রিক্তা খাতুন বলে তার বাড়ি থেকে আমিনুল ফিরে আসার পর থেকেই মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছেনা। এলাকাবাসির জোরাজুরিতে আমিনুর জানায় সে মোবাইল ফোন চুরি করেনি, পরবর্তিতে সবাই ফিরে এলে বিকেল বেলা আমিনুর তার স্ত্রীকে দোকানে সিগারেট আনতে পাঠিয়ে শয়ন ঘরের তীরের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় তার স্ত্রী এসে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস

শেরপুরে মোবাইল চুরির অপবাদে যুবকের আত্মহত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুরে মোবাইল চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে আমিনুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যাক্তি। সে উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের তাজমহলের ছেলে। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা আমেনা খাতুন বাদি হয়ে ইজাহার নামীয় ৯ জন সহ ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

শেরপুর থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল উপজেলার শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের স্ত্রী রিক্তা (২৮) খাতুনের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে ওই গ্রামের তাজমহলের ছেলে আমিনুরকে সন্দেহ করে এলাকার লোকজন নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে মোবাইল ফোন ফিরে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। এ সময় রিক্তা খাতুন বলে তার বাড়ি থেকে আমিনুল ফিরে আসার পর থেকেই মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছেনা।

এলাকাবাসির জোরাজুরিতে আমিনুর জানায় সে মোবাইল ফোন চুরি করেনি, পরবর্তিতে সবাই ফিরে এলে বিকেল বেলা আমিনুর তার স্ত্রীকে দোকানে সিগারেট আনতে পাঠিয়ে শয়ন ঘরের তীরের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় তার স্ত্রী এসে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার বিকেল ৩টায় আমিনুলের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা আমেনা বেগম বাদি হয়ে এজাহারনামীয় ৯ জনসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে গত সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১নং আসামি রিক্তা খাতুনকে গ্রেফতার করেন।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, মোবাইল চুরির মিথ্যা অভিযোগ সহ্য করতে না পেরে আমিনুল আত্মহত্যা করলে তার মা মামলা করেন। পুলিশ এই মামলায় ১জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow