শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪২
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে বর্তমান ইউপি সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাটই ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পরষ্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৪২ জন আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপু
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে বর্তমান ইউপি সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাটই ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পরষ্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৪২ জন আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে শৈলকূপা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় চরম থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
What's Your Reaction?