শ্রদ্ধা জানাতে গভীর রাতেও শহীদ মিনারে শিশুরা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গভীর রাতেও মা-বাবার হাত ধরে এসেছে শিশুরা। ঢাকার ইসলামবাগ থেকে ফুলের তোড়া হাতে বাবা-মায়ের সঙ্গে এসেছে দুই বছর বয়সী আদিবা। তার মা আফরোজা নাজনীন জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘ইচ্ছা ছিল মেয়েকে নিয়ে শহীদ মিনারে আসবো। মেয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালো, ছবি তুলমাম। ভালো লাগছে।’ কাকরাইল থেকে তিন বছরের ছোট্ট রাফসানকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন রিয়াজুল বাশার। তিনি বলেন, ‘গতবছরও এসেছিলাম। ছেলে সন্ধ্যা থেকেই বায়না ধরেছিল শহীদ মিনারে আসবে। তাই এসেছি। ছেলে এখন খুশি।’ রাত ৩টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে আড়াই বছরের সিয়াদ তার বাবা, মা ও দাদির সঙ্গে এসেছে। সিয়াদের এক হাতে ফুলের তোড়া অন্য হাতে জাতীয় পতাকা। সিয়াদের দাদি বলেন, ‘নাতিকে নিয়ে এসেছি। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাইরে সেহরি খেয়ে একবারে বাসায় যাবো।’ এর আগে একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নামে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাত ১২টার আগেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুল হাতে জড়ো হন শহীদ মিনারের আশপাশের এলাকায়। একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ন

শ্রদ্ধা জানাতে গভীর রাতেও শহীদ মিনারে শিশুরা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গভীর রাতেও মা-বাবার হাত ধরে এসেছে শিশুরা।

ঢাকার ইসলামবাগ থেকে ফুলের তোড়া হাতে বাবা-মায়ের সঙ্গে এসেছে দুই বছর বয়সী আদিবা। তার মা আফরোজা নাজনীন জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘ইচ্ছা ছিল মেয়েকে নিয়ে শহীদ মিনারে আসবো। মেয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালো, ছবি তুলমাম। ভালো লাগছে।’

কাকরাইল থেকে তিন বছরের ছোট্ট রাফসানকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন রিয়াজুল বাশার। তিনি বলেন, ‘গতবছরও এসেছিলাম। ছেলে সন্ধ্যা থেকেই বায়না ধরেছিল শহীদ মিনারে আসবে। তাই এসেছি। ছেলে এখন খুশি।’

রাত ৩টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে আড়াই বছরের সিয়াদ তার বাবা, মা ও দাদির সঙ্গে এসেছে। সিয়াদের এক হাতে ফুলের তোড়া অন্য হাতে জাতীয় পতাকা।

সিয়াদের দাদি বলেন, ‘নাতিকে নিয়ে এসেছি। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাইরে সেহরি খেয়ে একবারে বাসায় যাবো।’

এর আগে একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নামে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাত ১২টার আগেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুল হাতে জড়ো হন শহীদ মিনারের আশপাশের এলাকায়।

jagonews24

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপরই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে জনসমাগম।

সরেজমিনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দেখা যায়, রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সংগঠন পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।

শহীদ মিনারে অনেককে খালি পায়ে প্রভাতফেরিতে অংশ নিতে দেখা যায়। কারও হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, কারও হাতে ব্যানার-ফেস্টুন। ‌এসময় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি ভাষাশহীদদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

টিটি/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow