শ্রম ও ঘামের ওপর দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি : ড. এম এ কাইয়ুম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, শ্রম ও ঘামের ওপর দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। শ্রমজীবী মানুষের সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি, গুলশান অঞ্চল আয়োজিত প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে ফার্নিচার শিল্পের বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ফার্নিচার শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমঘন শিল্প। এই খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক শ্রমজীবী মানুষ যুক্ত। কাঠমিস্ত্রি, কারিগর, ডিজাইনার থেকে শুরু করে বিপণনকর্মী- সবার শ্রমের ওপর ভর করেই এ শিল্প এগিয়ে চলছে। অথচ নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে শিল্পটি তার
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, শ্রম ও ঘামের ওপর দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। শ্রমজীবী মানুষের সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি, গুলশান অঞ্চল আয়োজিত প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে ফার্নিচার শিল্পের বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ফার্নিচার শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমঘন শিল্প। এই খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক শ্রমজীবী মানুষ যুক্ত। কাঠমিস্ত্রি, কারিগর, ডিজাইনার থেকে শুরু করে বিপণনকর্মী- সবার শ্রমের ওপর ভর করেই এ শিল্প এগিয়ে চলছে। অথচ নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে শিল্পটি তার সম্ভাবনা অনুযায়ী বিকশিত হতে পারছে না।
তিনি বলেন, শ্রমজীবী মানুষের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শিল্পবান্ধব নীতি প্রণয়ন করা হলে ফার্নিচারশিল্প দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সরকার, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও শিল্পমালিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, আমাদের সমাজকে আমাদেরই নির্মাণ করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দিলে তবেই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।