শ্রেণিকক্ষে না গিয়ে কুশল বিনিময়, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নুরুদ্দিন অপু
শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, ‘এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।’
বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, ‘আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখলেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’
নুরুদ্দিন অপু বলেন, ‘আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব
শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, ‘এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।’
বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, ‘আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখলেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’
নুরুদ্দিন অপু বলেন, ‘আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব্যাঘাত ঘটুক এটা চাইনি। তাই গ্রিলের ফাঁক দিয়েই ওদের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছি।’
তার এই সচেতনতা ও কোমল ব্যবহারে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘নেতা মানে এমনই হওয়া উচিত, জনগণের কাছে, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও সংবেদনশীল।’
এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে— মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শুধু রাজনীতিবিদ নন, একজন সচেতন সমাজনেতা, যিনি মানুষের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করেন।