ষড়যন্ত্রকারীরা নতুন করে দেশ গঠনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে : প্রধানমন্ত্রী
দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা নতুন করে দেশ গঠনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে এবং এখনো সেই অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, যারা ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির নামে অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল, তারাই ১৯৭১ ও ১৯৯১ সালেও ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল এবং এখনো বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের পর যারা ফ্যাসিবাদকে ক্ষমা করার কথা বলেছিল, তারাই এখন আবার অপপ্রচার শুরু করেছে। কোনো ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না—জুলাই হত্যাকারীদের বিচার এই দেশেই হবে এবং ‘জুলাই সনদ’ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ সরকারের ওপর আস্থা রেখে দায়িত্ব দিয়েছে এবং সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে, তাতে লাভ হবে না। দলের নেতাক
দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা নতুন করে দেশ গঠনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে এবং এখনো সেই অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, যারা ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির নামে অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল, তারাই ১৯৭১ ও ১৯৯১ সালেও ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল এবং এখনো বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের পর যারা ফ্যাসিবাদকে ক্ষমা করার কথা বলেছিল, তারাই এখন আবার অপপ্রচার শুরু করেছে। কোনো ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না—জুলাই হত্যাকারীদের বিচার এই দেশেই হবে এবং ‘জুলাই সনদ’ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ সরকারের ওপর আস্থা রেখে দায়িত্ব দিয়েছে এবং সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে, তাতে লাভ হবে না। দলের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছে। আগামীতেও সংগ্রাম চলবে।
জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে আবার যেন দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা বা হরতালের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেদিকে সবার নজর রাখতে হবে।
অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়ন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে সেচব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়বে। পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক মৎস্যচাষ ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি আরও জানান, বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা, দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানি করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন পথ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুদের টিকাদান এবং বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। এছাড়া দেশের ক্রীড়াঙ্গন উন্নয়নে জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কোনো জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?