সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। পার্বত্য জেলায় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। আর এই আলোচনার অগ্রভাগে রয়েছেন বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার চারবার নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনা আক্তার। আলীকদম উপজেলা থেকে টানা চারবার নির্বাচিত হয়ে শিরিনা আক্তার ইতোমধ্যেই এলাকায় একটি বহুল পরিচিত নামে পরিণত হয়েছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তার সরব উপস্থিতি ও নেতৃত্ব সব মহলে প্রশংসিত। মূল দল ও মহিলাদলের অনেক নেতাকর্মী থাকলেও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের কারণে তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেকটাই। জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে টানা তিনি জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। রাজপথের রাজনীতি করে তিনি সাফল্যের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব আন্দোলনে তিনি বহুবার হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সূত্র জানায়, শিরিনা আক্তার বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী। তার পূর্বসূরীদের আদি নিবাস লক্ষ্মীপুর

সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। পার্বত্য জেলায় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। আর এই আলোচনার অগ্রভাগে রয়েছেন বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার চারবার নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনা আক্তার। আলীকদম উপজেলা থেকে টানা চারবার নির্বাচিত হয়ে শিরিনা আক্তার ইতোমধ্যেই এলাকায় একটি বহুল পরিচিত নামে পরিণত হয়েছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তার সরব উপস্থিতি ও নেতৃত্ব সব মহলে প্রশংসিত। মূল দল ও মহিলাদলের অনেক নেতাকর্মী থাকলেও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের কারণে তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেকটাই। জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে টানা তিনি জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। রাজপথের রাজনীতি করে তিনি সাফল্যের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব আন্দোলনে তিনি বহুবার হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সূত্র জানায়, শিরিনা আক্তার বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী। তার পূর্বসূরীদের আদি নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলায় হলেও তিনি জন্মগ্রহণ করেন বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলায়। তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এবং বড় চাচা সুবেদার আবুল কালাম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আলীকদম উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। আমৃত্যু তিনি বিএনপির জন্য কাজ করে গেছেন। শিরিনা আক্তারের পুরো পরিবারই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। শিরিনা আক্তার আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও সরকারি মাতামুহুরী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। মাধ্যমিক পাশের পর তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তার একমাত্র পুত্র সন্তান ইবনে ওয়ালিদ হায়দার নুর (তন্ময়) চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে অধ্যয়নরত। শিরিনা আক্তার বলেন, বিগত আন্দোলন সংগ্রামে যারা মাঠে ছিল তাদেরকে যেহেতু দল এবার নারী সংরক্ষিত আসনে মূল্যায়ন করবে, সেদিক থেকে বিবেচনা করলে অবশ্যই আমি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী। আমার নামে আলীকদম থানায় একটি রাজনৈতিক মামলাও রয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ দেন তবে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো এবং নিজেকে দেশের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত রাখবো ইনশাল্লাহ। তিনি আরও বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল না, যার কারণে দলের নেতাকর্মীরা কোনো কোনো ক্ষেত্রে হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে। তবে দল এখন ক্ষমতায় এসেছে, তাই যারা দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, ত্যাগী, নির্যাতিত, মামলা-হামলার শিকার তাদের মূল্যায়নের সুযোগ এসেছে এবং দল তাদের মূল্যায়ন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। উল্লেখ্য, শিরিনা আক্তার বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আলীকদম উপজেলায় সব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এছাড়াও জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের মহাসমাবেশসহ প্রতিটি কর্মসূচিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow