সংসদে দাঁড়িয়ে একজন যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন তাতে আমরা আঘাত পেয়েছি

সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদদু ভুঁইয়ার বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, তাতে আমরা আঘাত পেয়েছি।’ তিনি বলেছেন, ‘জনগণ বসে থাকবে না? তার মানে কী? তিনি কী জনগণকে বিশৃঙ্খলার দিকে উসকে দিচ্ছেন? আমরা এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’ সরকারি দলের ওই সদস্য অসংসদীয় ভাষায় কথা বলেছেন দাবি করে বিরোধী দলীয় নেতা তা এক্সপাঞ্জ করার দাবি করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে এ সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ফ্লোর চান। ফ্লোর নিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। যে অসংসদীয় ভাষা এখানে ব্যবহার করা হয়েছে তা এক্সপাঞ্জ করা হোক। একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, এতে আমরা আঘাত পেয়েছি। আমরা ক্ষোভ প্রকাশ করছি। জনগণ বসে থাকবে না? তার মানে কী? তিনি কী উসকে দিচ্ছেন জনগণকে বিশৃঙ্খলার দিকে? এগুলো সংসদীয় আচরণ নয়। জবাবে স্পিকার বলেন, আমরা পরীক্ষা করে দেখবো- যদি অসংস

সংসদে দাঁড়িয়ে একজন যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন তাতে আমরা আঘাত পেয়েছি

সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদদু ভুঁইয়ার বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, তাতে আমরা আঘাত পেয়েছি।’

তিনি বলেছেন, ‘জনগণ বসে থাকবে না? তার মানে কী? তিনি কী জনগণকে বিশৃঙ্খলার দিকে উসকে দিচ্ছেন? আমরা এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’

সরকারি দলের ওই সদস্য অসংসদীয় ভাষায় কথা বলেছেন দাবি করে বিরোধী দলীয় নেতা তা এক্সপাঞ্জ করার দাবি করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তবে এ সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ফ্লোর চান। ফ্লোর নিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। যে অসংসদীয় ভাষা এখানে ব্যবহার করা হয়েছে তা এক্সপাঞ্জ করা হোক। একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে যে হুমকির ভাষায় কথা বললেন, এতে আমরা আঘাত পেয়েছি। আমরা ক্ষোভ প্রকাশ করছি। জনগণ বসে থাকবে না? তার মানে কী? তিনি কী উসকে দিচ্ছেন জনগণকে বিশৃঙ্খলার দিকে? এগুলো সংসদীয় আচরণ নয়।

জবাবে স্পিকার বলেন, আমরা পরীক্ষা করে দেখবো- যদি অসংসদীয় কোনো ভাষা থাকে, যদি থাকে- তা আমরা এক্সপাঞ্জ করবো। আর যেসব বক্তব্য- এটা বাংলাদেশের রাজনীতির ভাষা, ‘আমরা চুপ করে থাকবো না’ এটা তো শত বছর ধরে বাঙালীরা বসে এসেছেন। এগুলো বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে জবাব দেবেন। কেউ বক্তব্য রাখার সময়ে ডিস্টার্ব করবেন না। 
 
এমওএস/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow