সব ডেথ রেফারেন্সই দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেবেন : আইনমন্ত্রী
শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সসহ সব ডেথ রেফারেন্সগুলোই খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য প্রধান বিচারপতি আরও বেশি ফোকাসড (সুস্পষ্ট) সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৭ জুন) রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর সচিবালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
শিশু রাজন, রাকিব ও আছিয়া হত্যা মামলার বিচার উচ্চ আদালতে আটকে আছে উল্লেখ করে প্রশ্ন করলে আইনমন্ত্রী জানান, আপনাদের প্রশ্নটা অত্যন্ত যৌক্তিক এবং ফ্রাস্ট্রেটেড একটা কোশ্চেন (হতাশাজনক একটা প্রশ্ন) করেছেন। আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যে সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল চলে যাবে ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে।
তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট ডিভিশনে যাওয়ার পরে আপনারা যারা কোর্ট বিট করেন তারা জানেন যে এই সমস্ত মামলায় পেপারবুক তৈরি করতে হয়। পেপারবুক বাইরে করার সুযোগ নাই। পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে হয়। এর পরে সুপ্রিম কোর্ট সিরিয়ালে মৃত্যুদণ্ডগুলোর বিষয় নিষ্পত্তি করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, এর ভিতর থেকে দুইটা মামলায় আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় প্রধান
শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সসহ সব ডেথ রেফারেন্সগুলোই খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য প্রধান বিচারপতি আরও বেশি ফোকাসড (সুস্পষ্ট) সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৭ জুন) রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর সচিবালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
শিশু রাজন, রাকিব ও আছিয়া হত্যা মামলার বিচার উচ্চ আদালতে আটকে আছে উল্লেখ করে প্রশ্ন করলে আইনমন্ত্রী জানান, আপনাদের প্রশ্নটা অত্যন্ত যৌক্তিক এবং ফ্রাস্ট্রেটেড একটা কোশ্চেন (হতাশাজনক একটা প্রশ্ন) করেছেন। আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যে সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল চলে যাবে ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে।
তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট ডিভিশনে যাওয়ার পরে আপনারা যারা কোর্ট বিট করেন তারা জানেন যে এই সমস্ত মামলায় পেপারবুক তৈরি করতে হয়। পেপারবুক বাইরে করার সুযোগ নাই। পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে হয়। এর পরে সুপ্রিম কোর্ট সিরিয়ালে মৃত্যুদণ্ডগুলোর বিষয় নিষ্পত্তি করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, এর ভিতর থেকে দুইটা মামলায় আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় প্রধান বিচারপতির বিশেষ আদেশে হাইকোর্ট থেকে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তার একটি ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা। আরেকটা ছিল কুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। আমি যখন রামিসার ঘটনার বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সাথে কথা বলেছি, উনি আমাকে বলেছেন, কোর্ট খোলার পরে এই সমস্ত ডেথ রেফারেন্স গুলো, সব ডেথ রেফারেন্স গুলোই খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আরও বেশি ফোকাসড সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি এ বিষয়টা নিয়ে লেগে থাকবো যাতে করে যেগুলো আপনারা বললেন এবং আজকের রামিসার বিচার যতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভব হয়। সেই চেষ্টা করব।
এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনে কতদিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে সেই বিষয় নাই। সেক্ষেত্রে আপনাদের সকলের পক্ষ থেকে এটা এখান আমরা আদালতের কাছে নিবেদন করব। সেক্ষেত্রে আছিয়ার বিষয় যেটা এক বছর সবগুলোই, সবগুলোই যত দ্রুত সম্ভব এটা নিষ্পত্তি করার জন্য চেষ্টা করব। তবে এখন পুরোটাই আদালতের বিষয়।
সাজা কার্যকর না হওয়ার কারণে এই ধরনের ঘটনা রিপিটেডলি ঘটছে কিনা? এমন প্রশ্নে আইন মন্ত্রী বলেন, আপনারা হয়তো কেউ কেউ বলতে পারেন কিন্তু আমার কাছে মনে হয় না যে সম্পূর্ণ সেটাই কারণ। এটা ওয়ান অফ দ্যা রিজন্স (একটা কারণ) হতে পারে। কিন্তু এইটাই একমাত্র কারণ না। এটা আমাদের সোশ্যাল কন্টেক্সট সহ মানুষের যে কি বলে ধরেন সোহেল। সোহেলের কথা যেটা ধরছি এই যে রামিসা হত্যাকাণ্ড। এরা তো মানসিক ভাবে অপরাধী। কত বড় ক্রিমিনাল চিন্তা করেন। এরকম একটা ঘটনা ঘটিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর বিচারকে অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য মামলার রেকর্ডে যা নাই এরকম আরেকজনকে টেনে নিয়ে আসছে। ওর উদ্দেশ্যই ছিল যে বিচার প্রক্রিয়াটা কতটা বিলম্বিত করা যায়।
অপর এক প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, সাজা কার্যকর হওয়ার আগে উচ্চতর আদালত মানে হাইকোর্ট ডিভিশনে এটা শুনানি হবে। হাইকোর্ট ডিভিশনে সেখানেও ধরেন স্টেট ডিফেন্স লয়ার দিতে হবে। যদি সে না দেয়। তারপর শুনানির পরে সেখানে যা রায় হয়। যদি এটা বহাল থাকে তার বিরুদ্ধে আবার আপিল বিভাগে যদি তারা যেতে চায়। একটা নির্ধারিত সময় থাকে যদি সেখানে সে আপিল বিভাগে না যায় তাহলে হাইকোর্ট বিভাগের রায় চূড়ান্ত। আর আপিল বিভাগে গেলে সেখানে নিষ্পত্তি হওয়ার পরে রিভিউ পর্যন্ত একটা বিধান আছে। এখন আইনের এই স্তরগুলো আপনার এক্সজাস্ট না করে যদি আমরা এই রায় কার্যকর করতে চাই সেটা আরেকটা দিক উন্মোচন হবে। আরেকটা প্রশ্ন আসবে। সবকিছুকে মাথায় রেখে যেমন আমরা অনেকে প্রশ্ন করেছেন এর আবার স্টেট ডিফেন্স লয়ার এর পক্ষে কেন লয়ার দেওয়া হয়েছে? ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে গেলে আমাদের প্রশ্নগুলো মুখোমুখি করতে হয়, আমরা হই। কিন্তু আমাদের একই সাথে সমাজ সভ্যতা এবং ন্যায়বিচারের পথ যাতে কোন ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যেমন ধরেন আমি যদি এই ভাবে ধরি এই ঘটনাটা যদি যে আদালত রায় দিলেন সে আদালতের সামনে ঘটতো, তাহলে উনি ফাঁসি দিতে পারতেন না যদি না এই যে প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ না করা হতো।আইনে প্রেসক্রাইব করা আছে আমাদের যুগ যুগ ধরে এটা ইন্টারন্যাশনাল রিকগনাইজ। এগুলো প্রক্রিয়াগুলো সেই ক্ষেত্রে আমরা প্রশ্নবোধক চিহ্নের মধ্যে পড়ে যেতাম। আমরা সেই জায়গাটা রাখতে চাইনি বলে এর থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা আমাদের জন্য সম্ভব ছিল না।