সব নাটকের অবসান, বিদায় নিল পাকিস্তান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কম নাটক করেনি এবার পাকিস্তান।ক্রিকেটপ্রেমীদের অবশ্য সব নাটকের দৃশ্যই এখন মুখস্ত। আজ ফাইনালেও নাটকীয় এক জয় তুলে নিয়েছে টুর্নামেন্টের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে শ্রীলঙ্কাকে ৫ রানে হারিয়েও সেমিফাইনালে যেতে পারল না পাকিস্তান। অন্তত ৬৫ রানে জয়ের সমীকরণ ছিল পাকিস্তানের সামনে। ফলে নিউজিল্যান্ড নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনাল। পাকিস্তানের তোলা ২১২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা থেমেছে ২০৭ রান করে। পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। এদিন ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন সাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামান। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালিয়েছেন দুই ব্যাটার। শ্রীলঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করে রান তুলেছেন দুজন। উইকেটের চারপাশে খেলেছেন দারুণ সব শট। দ্রুত গতিতে রান তুলেছেন দলের বোর্ডে। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৪ রান তোলে পাকিস্তান। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে দুই ওপেনারের উইলোবাজি। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে রান তুলেছেন ফারহান এবং ফখর। লঙ্কান বোলারদের কচুকাটা করে রান বের করেছেন দুই ওপেনার। ক্রমশ বড় হয়েছে ওপেনিং জুটি। পা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কম নাটক করেনি এবার পাকিস্তান।ক্রিকেটপ্রেমীদের অবশ্য সব নাটকের দৃশ্যই এখন মুখস্ত। আজ ফাইনালেও নাটকীয় এক জয় তুলে নিয়েছে টুর্নামেন্টের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে শ্রীলঙ্কাকে ৫ রানে হারিয়েও সেমিফাইনালে যেতে পারল না পাকিস্তান। অন্তত ৬৫ রানে জয়ের সমীকরণ ছিল পাকিস্তানের সামনে। ফলে নিউজিল্যান্ড নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনাল। পাকিস্তানের তোলা ২১২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা থেমেছে ২০৭ রান করে।
পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। এদিন ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন সাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামান। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালিয়েছেন দুই ব্যাটার। শ্রীলঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করে রান তুলেছেন দুজন। উইকেটের চারপাশে খেলেছেন দারুণ সব শট। দ্রুত গতিতে রান তুলেছেন দলের বোর্ডে।
পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৪ রান তোলে পাকিস্তান। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে দুই ওপেনারের উইলোবাজি। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে রান তুলেছেন ফারহান এবং ফখর। লঙ্কান বোলারদের কচুকাটা করে রান বের করেছেন দুই ওপেনার। ক্রমশ বড় হয়েছে ওপেনিং জুটি। পার করে ফেলে ১০০ রানও।
দুজনেই ফিফটি ছুঁয়েছেন। ফিফটির পর ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। দুজনের জুটি বড় হতে হতে হয়েছে ১৭৮ রানের অনবদ্য এক জুটি। মাত্র ৯৫ বলে ওপেনিং জুটিতে ১৭৮ রান তুলেছেন ফারহান এবং ফখর। ৪২ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান ফখর। তিনি সেঞ্চুরি মিস করলেও ফারহান করেননি। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন সাহিবজাদা ফারহান, যা এবারের বিশ্বকাপে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ৬০ বলে ১০০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলের ২০৩ রানের মাথাতে আউট হন ফারহান।
দুই ওপেনার ফারহান এবং ফখরের পর পাকিস্তানের ইনিংস যেন হয়ে যায় তাসের ঘর। আর কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। রানের গতিও কিছুটা কমে যায়। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১২ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন দিলশান মাদুশাঙ্কা। ২ উইকেট তোলেন দাসুন শানাকা। ১ উইকেট শিকার করেছেন দুশমন্থ চামিরা।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই পাথুম নিসাঙ্কার উইকেট হারিয়ে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। ৭ বলে ৩ রান করা নিসাঙ্কা দলের ৮ রানের মাথাতে থেমেছেন। এরপর পরিস্থিতি সামালা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কামিল মিশারা এবং চারিথ আসালাঙ্কা। দুজনে ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ১৫ বলে ২৬ রান করে দলের ৩৩ রানের মাথাতে বিদায় নেন মিশারা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান তোলে শ্রীলঙ্কা।
চারে নেমে ক্রিজে আসেন পাভান রাথনায়েকে। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন তিনি। আসালাঙ্কা ১৮ বলে ২৫ রান করে দলের ৭৫ রানের মাথাতে বিদায় নিয়েছেন। কামিন্দু মেন্ডিসও সুবিধা করতে পারেননি। দলের ৯৪ রানের মাথাতে ৬ বলে ৩ রান করে বিদায় নেন তিনি। এরপর ৩ বলে ৫ রান করে আউট হয়েছেন জানিথ লিয়ানাগে।
লিয়ানাগের বিদায়ের পর রাথনায়েকের সাথে যোগ দিয়েছেন দাসুন শানাকা। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন দুজন। শানাকা-রাথনায়েকের জুটিতে গতি পায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাকিস্তানের বোলারদের কচুকাটা করে রান বের করেছেন দুজন। রাথনায়েকে ফিফটি হাঁকিয়ে থেমেছেন। ৩৭ বলে ৫৮ রান করে দলের ১৬২ রানের মাথাতে বিদায় নেন তিনি। শেষ দিকে লড়াই চালিয়ে গেছেন শানাকা। হাঁকিয়েছেন একের পর এক বাউন্ডারি। দারুণ সব ছক্কা। চলে যান ফিফটির কাছাকাছি।
শেষ দিকে প্রায় একাই লড়েছেন শানাকা। একদম শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ২৮ রান। বোলিংয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি। প্রথম বলে চার, পরের ৩ বলে ৩ ছক্কায় সমীকরণ চলে আসে ২ বলে ৬ রানে। শানাকা শেষ ২ বল থেকে রান নিতে পারলেন না। ৫ রানে জয় পায় পাকিস্তান। ৩১ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে টিকে ছিলেন দাসুন শানাকা।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন আবরার আহমেদ। ১টি করে উইকেট তুলেছেন মোহাম্মদ নওয়াজ, নাসিম শাহ এবং শাহীন শাহ আফ্রিদি।
What's Your Reaction?