সমঝোতার পথে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একটি খসড়া সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। খবর সিএনএনের। হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষই নতুন একটি সমঝোতা স্মারকে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। খসড়া সমঝোতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে টোল ছাড়াই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া আলোচনায় ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ থাকা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। মানবিক সহায়তা ও পণ্য সরবরাহ নিশ্চিতে বিশেষ কার্যপদ্ধতি নিয়েও আলোচনা চলছে। সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত বন্ধের বিষয়টিও উল্লেখ থাকতে পারে বলে জানা গেছে। তবে সমঝোতার আলোচনা চললেও গত ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালীতে যুক
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একটি খসড়া সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। খবর সিএনএনের।
হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষই নতুন একটি সমঝোতা স্মারকে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
খসড়া সমঝোতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে টোল ছাড়াই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া আলোচনায় ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ থাকা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। মানবিক সহায়তা ও পণ্য সরবরাহ নিশ্চিতে বিশেষ কার্যপদ্ধতি নিয়েও আলোচনা চলছে।
সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত বন্ধের বিষয়টিও উল্লেখ থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে সমঝোতার আলোচনা চললেও গত ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। ইরান দাবি করেছে, তারা বুশেহর এলাকায় আরও একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে। যদিও পেন্টাগন এ দাবি অস্বীকার করেছে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কোনোভাবেই ইরানকে দুর্বল করতে পারবে না।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীতে টোল আরোপ বা এ ধরনের পদক্ষেপে সহযোগিতা করা হলে ওমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ হুঁশিয়ারি দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।
What's Your Reaction?